✍ - মৃদুল কুমার দাস।
সতীশ মাষ্টারমশাই,সতীশ সিংহ,সিংহের মতো কেশরী যেন অঙ্কের শিক্ষক। আর রঞ্জিত বিশ্বাস,ইতিহাসের স্যার- ঐতিহাসিক পুরুষকার যেন প্রতি পায়ে পায়ে।
"ভোলা এ তুই কী লিখেছিস? ফাজলামি পেয়েছিস?" সতীশ বাবু ক্লাসে ঢুকেই গলার আওয়াজে ক্লাস কেঁপে উঠল। ভোলা জানে তার অপরাধ কী? কিন্তু না জানার ভান করে বলল - "কী করেছি স্যার?"
"কী করেছিস? দেখবি?"
সকলের তখন কৌতূহল মন স্থির- কী হয়! কী হয়! সতীশ স্যার মানেই ভয়ঙ্কর! অঙ্ক না পারলে শাসানি এমন - ঠ্যাং খড়া করে স্কুলে ফেলে রেখে দেবে। কোনোদিন করেছেন বলে এমন রেকর্ড নেই অবশ্য। ভোলার মতো তেমনটি কেউ জানে না। তাই তার যেকোনো ঘটনার মধ্যে কোনো চাপ নেয় না। অঙ্কে তো চাপ নেই-ই,কেননা অঙ্ক না শিখলে কি খেতে পাবে না!
সতীশ স্যার এবার ব্যাপারটা বললেন- "অঙ্কের প্রশ্নে সংখ্যা গুলোকে সব পরিবর্তন করে অঙ্ক কষেছে।"
ভোলার উত্তর স্যার এটাই সংখ্যার রূপান্তর কেমন হয় দেখছিলাম। ইতিহাসের স্যার মেটামরফোসিস যে বলেছিলেন,তাই দেখলাম কেমন হয়।"
সতীশবাবু তো থ। বললেন- "ভোলা আয় তোকে কোলে তুলি। তুই এত!"
ক্লাসের সবাই তো অবাক! এতো রাগী স্যারের এও তো মেটামরফোসিস - রাগের রূপান্তরে স্যার এই প্রথম গলে জল।
এবার ইতিহাসের স্যার ক্লাসে ঢুকেই ভোলাকে তেন্ডাইমেন্ডাই- "কি লিখেছিস?"
"কেন স্যার?"
"চন্দ্রগুপ্তে প্রেম দিয়ে আলেকজান্ডারকে জয় করতে চাইলি কেন?"
"কেন স্যার,প্রেম দিয়েই তো সব রূপান্তর করা যায়। এ এক মেটামরফোসিসের পরীক্ষা! আপনিই তো বলেছিলেন মেটামরফোসিস হলো প্রতিটি জীবনের মূলমন্ত্র। তাই জীবনের ভিত্তি। পরিবর্তন ছাড়া জীবন হয় না। তার মূলে প্রেম। বীরত্বের চেয়ে সেই প্রেমের জোরে,আলেকজান্ডারকে জয় করতে চেয়েছেন।"
"তা বলে ইতিহাস নিয়ে ছেলে খেলা!"
"এই ছেলে খেলার আপনার কথায় মেটামরফোসিসের নিদর্শন। "
ইতিহাসের স্যারও ভোলার কথায় মেটামরফোসিস!
আর বাংলার স্যার সনাতন বিশ্বাস তো থ! ছিল নদী রচনা। ভোলা পড়ে গেছে গরু। নদীর ধারে গরু চরে। এই থেকে গরুর বর্ণনা ভোলার রূপান্তরের পরীক্ষা।
*********
অসাধারণ ।💐💐💐
উত্তরমুছুনধন্যবাদ। শুভেচ্ছা।😁😁❤❤💅💅💅
মুছুনভালো লাগলো
উত্তরমুছুনধন্যবাদ। শুভেচ্ছা।❤❤💅💅
মুছুনখুব ভালো লাগলো 👌👌💐💐💐
উত্তরমুছুনধন্যবাদ। শুভেচ্ছা।😁😁❤❤❤💅💅💅
মুছুনখুব ভালো লাগলো
উত্তরমুছুনধন্যবাদ। শুভেচ্ছা।😁😁❤❤💅💅💅
উত্তরমুছুনএকেবারে ভিন্নধারার রূপান্তর অসাধারণ লাগল।
উত্তরমুছুনসুন্দর রূপান্তর , খুব ভালো লাগলো 👌👌
উত্তরমুছুন