যোগাযোগ মাধ্যমগুলির গতিবিধি আজ গ্রহ থেকে গ্রহান্তরে পরিব্যাপ্ত।এগুলি স্নায়ুতন্ত্রেরই এক ব্যাপক রূপ।
ফোনে ফোনে যোগাযোগ হোক বা মনে মনে কথা, যোগাযোগের মাধ্যম আজ গ্রহ থেকে গ্রহন্তরে। মস্তিষ্ক, অ্যাফারেন্ট, ইফারেন্ট নার্ভের সমন্বয়ে গড়ে ওঠে আমাদের স্নায়ুতন্ত্র, যা আমাদের শরীরের যোগাযোগ মাধ্যম এবং এই স্নায়ুতন্ত্রের নার্ভগুচ্ছের দ্বারাই আমাদের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে তড়িৎ-রাসায়নিক সংকেত আদান-প্রদান হয়। আমরা যেখানে যে অবস্থাতেই থাকি না কেন, আমাদের স্নায়ুতন্ত্র সবল থাকলে, ঠিকমতো কাজ করলে আমাদের সকল অনুভূতিগুলোও ঠিক থাকে।
ঠিক তেমনই, যোগাযোগ মাধ্যম অর্থাৎ, স্যাটেলাইট নেটওয়ার্ক, ইন্টারনেট, কলিং সিস্টেম, ম্যেসেজিং সবই এক অদৃশ্য সমন্বয়কারী তরঙ্গের মাধ্যমে বাহিত হয়ে পৌঁছে যায় দেশ থেকে বিদেশ। আমরা যে টিভি দেখি, রেডিও শুনি সবই সেই বিশাল কর্মকান্ডের অংশ। এই যোগাযোগ মাধ্যমে আবহাওয়ার পূর্বাভাস থেকে শুরু করে চন্দ্র, মঙ্গল ও মহাকাশের বিভিন্ন তথ্য জানতে পারি আমরা। মহাবিশ্বকে যদি আমরা মস্তিষ্ক হিসেবে কল্পনা করি, তবে বিভিন্ন গ্রহ-উপগ্রহ-গ্রহানুপুঞ্জ নিয়ে গঠিত সেই মস্তিষ্কপ্রসূত তরঙ্গের মাধ্যমে গ্রহ থেকে গ্রহন্তরে ছড়িয়ে পড়ে যোগসূত্র।
তবে, যোগাযোগের জন্য কোনো মাধ্যম যেখানে থাকেনা, সেখানে কি যোগাযোগ হয়না! অবশ্যই হয়, মনের সাথে মনের যে এক অদৃশ্য বন্ধন থাকে, সেই বন্ধন দেখা যায় না, ছোঁয়া যায়না, শুধু অনুভব করে নিতে হয়। তার কথা ভেবে চোখে জল আসলে সেই তো যোগাযোগ, আত্মার সাথে আত্মিক মিলন।
এত যে যোগাযোগ!
এত বোঝাপড়া!
পরমাত্মার সাথে মিলবার নেই,
কারো মনে কোনো সাড়া!
সেখানেতে যোগের অঙ্ক,
বিয়োগ হয়ে যায়!
কিভাবে মিলিব সখা!
নেই কি উপায়!
আছে সে যোগ এক,
নাম তার ভক্তি,
সে পথে গেলে যোগেই,
মেলে চিরমুক্তি।
Copyright © All Rights Reserved to Piyali Chakravorty

অসাধারণ। মন ভরে গেল। অপূর্ব! এও এক যোগাযোগ।
উত্তরমুছুনঅনেক ধন্যবাদ দাদা🙏
মুছুন