শুক্রবার, ৬ আগস্ট, ২০২১

মেয়েদের সব সময় নজরদারিত রাখতে হয়। ( কলমে - পারমিতা মন্ডল ।)

আজ প্রাতঃকালীন আলোচনার বিষয় -
    *মেয়েদের সবসময় নজরদারির মধ্যে থাকতে হয় ।*
        কথাটার গুরুত্ব বিচার করো।

সকাল থেকে বিষয়ের উপর অনেক ভারী ভারী লেখা পড়ে আমার মনটাও ভীষণ ভারী হয়ে গেল । মেপে দেখলাম দশ মন ওজন হয়ে গেছে। আর টেনে তুলতে পারছি না । তাই আর লিখতেও পারলাম না। এখন একটু হালকা বোধ হচ্ছে । চল সবাই হেসে আরো একটু হালকা হই-----

মেয়েদের সব সময় নজরদারির মধ্যে থাকতে হয় উদাহরণ ---

1) সকাল থেকে ময়না বৌদি চেষ্টা করে  যাচ্ছে বরের পকেট কাটার। অনলাইনে একটা ভালো শাড়ি দেখেছে । উর্মি কিনে ফেলেছে। এখন ময়না বৌদি যদি না কেনে তবে মান- সন্মান তো থাকবে না। বরের কাছে টাকা চেয়েছিল ,দেয়নি। অগত্যা পকেট কাটা ছাড়া আর উপায় নেই। কিন্তু দেখো কিপটে বুড়োর নজরদারি। একেবারে শকুনের চোখ।  দেখ কেমন কুতকুত করে চেয়ে আছে। যেন পুলিশের চোখ ? এতো নজরদারি কেন বাপু ? আমি কি তোমার প্রেমিকা নিয়ে পালাচ্ছি ?

অথচ সুন্দরী মেয়ে দেখলেই এই চোখ আবার ড‍্যাব ড‍্যাব হয়ে যায়।  কিন্তু বৌ যদি ভুলেও কারো দিকে তাকায় , তাহলে আর রক্ষা নেই।পারলে পুলিশি পাহারা বসিয়ে দেয়। বৌ যেন কেনা সম্পত্তি।



2) প্রেমিকাকে নিয়ে প্রেমিক ঘুরতে বেরিয়েছে । একজনের সাথে ঘুরছে ,তাকাচ্ছে হাজার জনের দিকে । দেখো টেরিয়ে টেরিয়ে দেখতে দেখতে চোখ ট‍্যারা হয়ে গেল ! অথচ মেয়েটা শুধু একবার বলেছিল, সামনের টেবিলে বসা ঐ ছেলেটাকে দেখতে খুব সুন্দর। একেবারে হ‍্যান্ডসাম । ব‍্যাস  ওর পিছনে CID এর মতো নজরদারি করতে লেগে গেল।  পারলে গান্ধারীর মত চোখে পট্টি বেঁধে দেয় আর কি ? কেন রে বাবা ! তোর বেলায় তো দোষ নেই । আমি দেখলে দোষ ?

3) সপিং এ এসেছে  জয়িতা কর্তাকে ফাঁকি  দিয়ে। অনেক দিনের ইচ্ছা বরের চোখে ফাঁকি দিয়ে দামি নেকলেসটা কিনবে। সেই জন্য ATM টা হাতিয়েছিল । নেকলেসটা পছন্দও হয়েছে । প‍্যাকেট করে যেই বিল পেমেন্ট করতে ATM টা দিল। দেখে একটাও টাকা নেই !  কিভাবে হলো ? আসলে ওনার কর্তা সব সময় গিন্নির উপর নজর রাখছিল। সেদিন কার্ডটা রাখার সময় দেখছিল গিন্নি জুল জুল করে তাকাচ্ছে। ভাগ‍্যিস নজরদারি করেছিল। তাই টাকা গুলো বেঁচে গেল।

4) মেয়েটিকে নজরদারি করতে করতে কালু মস্তান পৌঁছে গেছে কলেজের গেটে।  সুযোগ পেলেই ধরবে । ওর  পিছু পিছু আরো কয়েকটি এসেছে ।  অনেক দিন হয়েছে ও আমাদের হাত থেকে বেঁচে গেছে । আজ আর রক্ষা নেই। গলির মধ্যেই কেড়ে নিতে হবে সব।  হঠাৎ মেয়েটি পিছন ঘুরে বলল "-- কালুদা , কেক এনেছি । খাবে ? " "আরে এতোক্ষন তো ওটাই নজরদারি করছিলাম । কাকিমা তো বলল -- "নাহলে তুই সব একা সাটিয়ে দিবি। আমার তো বোন নেই রে।"এই জন্য তো তোকে চোখে চোখে রাখি।


সব নজরদারি খারাপ নয় । 

একটু হাসানোর সামান্য চেষ্টা।

all rights are reserved by paramita mandal.





৪টি মন্তব্য:

বন্ধ ঘরের জানালা✍️ ডা: অরুণিমা দাস

বন্ধ ঘরের জানালা ✍️ ডা: অরুণিমা দাস ফাইনাল পরীক্ষার শেষে তিন্নি আর ওর ভাই টুবাই এসেছে মামাবাড়িতে। এসে দাদু দিদা মামা মামীদের আদর যত্নে ওরা ...