বিষয় : আধ্যাত্মিক আলোচনা #হিমালয়
বলা হয়" দেবতাস্য হিমালয় ", হিম + আলয় এ দেবতারা থাকেন। হিমালয়ের বিশালতায় আধ্যাত্মিক বোধ উদিত হয়। হিমেল স্যাতে স্যাতে নিস্তব্ধতায়, অসংখ্য ঝিঁঝিঁর আওয়াজ ও বিশালাকার গাছের মধ্যে একা বসে থাকলে একটি প্রশ্ন আসে " হে অসীম এই অদ্ভুতের সৃষ্টির কর্তা কে? "
কৈলাস পর্বতের মাঝে অপার অসীম রহস্য যা বিজ্ঞান ও স্তব্ধ হয়ে ভাবে । এক আধ্যাত্মিক ঢেউ আবেশে ভাসায়। প্রকৃতির মধ্যে আধ্যাত্মিক চিন্তন ভেসে বেড়ায়। কেদারনাথে কিছু বছর আগে ঘটে যাওয়া ঘটনা। হঠাৎ বানে বিদ্ধস্ত সব , কেবল মন্দির ও মূর্তি রক্ষা পেয়েছিল মাত্র একটি পাথর গড়িয়ে এসে। কি ছিল এই ঘটনায়! আকস্মিকতা? নাকি ভক্তি! হিমালয় ভাবায়। অদ্ভুত রহস্য এক অলৌকিক জগতে নিয়ে যায়, তাই বছরের পর বছর সাধু সন্ন্যাসী ভীড় জমিয়েছেন। কিসের আশায়? কেবল নিস্তব্ধতা! না কি অলৌকিক কোন শক্তি তরঙ্গের সত্যিই অনুভূতি হয়? সেই অপার অসীম রহস্য আজও আধ্যাত্মিক দৃষ্টি কোনে হিমালয় আলোচিত হয়। প্রসঙ্গত একটি খবরের কাগজের কার্টিং দিলাম, বিজ্ঞান ও স্বিকৃতি দেয় অদ্ভুত অদৃশ্য শক্তির। বৌদ্ধ মঠগুলি হিমালয়ের প্রত্যন্ত কোনে বিশাল বিশাল মনেস্ট্রিত বানিয়েছে। সহস্র বছর ধরে তাদের এই নীরব চর্যা, তাদের অসীম শক্তি দান করেছে। বৌদ্ধ সন্ন্যাসীদের সে শক্তি " নাস্তিক পন্ডিতের ভিটে" তে আলোচিত। খ্রীষ্টানদের চার্চ ও মিশন শান্তি পূর্ণ অবস্থান করে ওখানে। পরিশেষে বলি হিমালয়ের অস্তিত্ব ভারত ভূমিকে ভৌগোলিক ঐতিহাসিক বৈজ্ঞানিক ও আধ্যাত্মিক সাংস্কৃতিক দিকে প্রভাবিত করে চলেছে সহস্রাধিক বছর ধরে।
©কপিরাইট সর্বাধিকারী শর্মিষ্ঠা ভট্ট 🙏🙏

ভীষণ ভীষণ ভালো লাগল ।দুর্ধর্ষ লিখেছ ।👌👌👌👌🙏🙏
উত্তরমুছুনদারুণ! অসাধারণ! ধন্যবাদ। ❤❤🙏🙏
উত্তরমুছুন