# নাম- জীবন জিজ্ঞাসা'
(বিজ্ঞান বিষয়ক)
পর্ব- ৬
✍ - মৃদুল কুমার দাস।
সৌর পরিবার। সূর্য হলেন কর্তা। তারই সঠিক পরিচালনায় পৃথিবী আজ পৃথিবীতে আছে - প্রকৃতিরাজ্য তাঁর দৌত করে। তঁর অভিভাবকত্বে আমরা চালিত।
তাঁর ভেতরকার আলোকশক্তি, তাপশক্তি অবিরাম গতিতে মহাকর্ষীয় তরঙ্গ হয়ে আমাদের কাছে আসছে। তিনি পাঠাচ্ছেন।
এক মহান দায়িত্ব নিয়ে তার পরিবারের ন'টি গ্রহ(দশও বলা হয়)কে ধরে রেখেছেন। সকলকে নিজের চারদিকে ঘুরতে বাধ্য করছেন। এঁরা কিভাবে সৃষ্টি হয়েছিল সে ইতিহাস অজানা নয়। তবে তাঁদের সূর্য তাঁর চারদিকে ঘোরাচ্ছে কীভাবে তা জানতে পারি মহাকর্ষীয় তরঙ্গের আকর্ষণ বলের স্বরূপ থেকে। যেমন করে পৃথিবীকে ঘোরাচ্ছে, বাকিদেরও ঠিক একি নিয়মে
পৃথিবীর ঘূর্ণণের ফলে দিন রাত্রি হচ্ছে। পৃথিবী ঘুরছে বলে সূর্যের মহাকর্ষীয় তরঙ্গে নিক্ষেপিত তাপশক্তি ও আলোকশক্তি সমানভাবে সবপ্রান্ত পায়না বা সমহারে বন্টনের সুযোগ পায়না। কোথাও উষ্ণতা বেশি, কোথাও কম, কোথাও নাতিশীতোষ্ণ। তাই তো দেশভেদে জলবায়ুর পার্থক্য লক্ষনীয়। এতো সব অলৌকিক ঘটনা সূর্য ঘটাচ্ছে বলে তাই পুরাণে সূর্য হলেন দেবতা।
পৃথিবীকে বলা হয় মহাকর্ষীয় তরঙ্গে সূর্যের আদুরে কন্যা। সূর্য পিতা। আর আমদের কাছে পৃথিবী মাতা ধরিত্রী। প্রাকৃতিক ঐশ্বর্য দিয়ে আমাদের মাতা ধরিত্রী রক্ষা করছেন।
সূর্যের পুরুষকার রোষ থেকে রক্ষা করতে কত প্রকার বায়ুমন্ডলকে ছাকনি করে সূর্যের রোষ থেকে অতি যত্নে রক্ষা করছেন আমাদের। মাতা ধরিত্রীর অবস্থান একটু এদিক ওদিক হলে কি হতো ভাবুন তো! বাকি গ্রহদের যেমন অবস্থা পৃথিবীরও তাই অবস্থা হতো।
মাতা ধরিত্রীর কর্মলীলার কি আর শেষ আছে! কত লীলাই না ঘটছে চোখের সামনে। তার অপত্য জীব ও জড়কে নিয়ে। যেমন -
প্রথমে ধরা যাক সাপেদের কথা। সাপেদের বিষ ধারণের ক্ষমতা দেওয়া হলো। আবার ধরণী যাতে বিষময় না হয়ে ওঠে তার রক্ষাকবচ হিসেবে সাপ সাপকে খাবে। পৃথিবীকে বাঘের হিংস্রতা থেকে বাঁচাতে বাঘের বারো বছর অন্তর একটি করে বাচ্চা প্রসব করবে।
অনুরূপভাবে সামান্য থেকে অসামান্য জীবকে যে যার কর্মে যুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। যে যার কর্মে মহীয়ান। যেমন মশা,মাছি, পিঁপড়ে,ভ্রমর... কারো কর্ম সামান্য নয়। আর সবার মূলে মানুষের মাতব্বরি বড় আশ্চর্যজনক!
জীবের উপর তো বটেই জড়ের উপর করে নিজেদের কেমন দেখানেওয়ালা করে তুলেছে,সে আর বলতে!
জড় বস্তুর উপর আধিপত্য বিস্তার নিয়ে মানুষের কর্মের কি অপূর্ব নৈপুণ্য! পরমানুচর্চায় সেই নৈপুণ্যের কথায় আসা যাক তাহলে। পরমানু শক্তি থেকে পরমানু বোমা কীভাবে এসেছে,পরমানু বোমা মানব সভ্যতার ইতিহাসে এক কলঙ্কময় অধ্যায় কিভাবে হয়েছে,এর মূলে দায় কার,তাই নিয়ে হবে পরের আলোচনা।
(চলবে)
#____#
💐👌💝
উত্তরমুছুন❤❤😁😁
মুছুনদারুন দারুন
উত্তরমুছুনধন্যবাদ। ❤❤💫💫
মুছুনবাহ্, দারুণ লাগলো
উত্তরমুছুনধন্যবাদ। ❤❤💫💫💥💥💅💅💅
উত্তরমুছুনখুব ভালো লাগলো 👌🌷
উত্তরমুছুনঈশ্বর মানুষকে শ্রেষ্ঠ জীব হিসাবে গড়েছেন।দেখা যাক পরমাণু বোমার ব্যবহারে মানুষ মুর্খামী না শ্রেষ্ঠত্বের পরিচয় দেয়।অপেক্ষায়....।আগ্রহ ক্রমবর্ধমান।
উত্তরমুছুন