রবিবার, ২৫ জুলাই, ২০২১

সেই মেয়েটা (কলমে পিয়ালী চক্রবর্তী)


স্কুল ছুটির ঘন্টা পড়তেই ভয়ে কুঁকড়ে যায় স্কুলের বেশ কিছু মেয়ে। স্যার যে ওদেরকে খুব বেশী ভালোবাসে, এত ভালোবাসা সহ্য করতে পারেনা ওরা। এক্সট্রা ক্লাসের নাম করে স্কুলে আটকে রেখে বাথরুমে নিয়ে গিয়ে এমন ভালোবাসার জন্য বেশ কিছু মেয়েকে বেছে নিয়েছে অঙ্কের কড়া টিচার। কেউ সোমবার, কেউ মঙ্গল, কেউবা বুধ...


যেদিন স্কুলে ক্লাস এইটে এডমিশন নিলো আর্য্যা, ওর টলটলে মুখটা সেদিন স্যার লক্ষ্য করতেই ওনার ভালোবাসার একজন বেড়ে গেল গুনতিতে। আর্য্যাকে যেদিন প্রথম এক্সট্রা ক্লাস দেওয়া হয়, ও প্রথমে আন্দাজ করতে পারেনি। কিন্তু, বাথরুম যেতে বলাতেই বুদ্ধিদীপ্ত আর্য্যার মনে সন্দেহ দানা বাঁধে। ও নিজেকে প্রস্তুত করে রাখে।


বাথরুমে অশ্লীলতা শুরু হতেই ও আঙুলের ফাঁকে রাখা পেন্সিল শার্প করার জন্য কেনা নতুন ব্লেডটা নিয়ে সর্বশক্তি দিয়ে চালিয়ে দেয় বিকৃতকামী স্যারের উত্থিত পুরুষাঙ্গ লক্ষ্য করে। যন্ত্রণায় কুঁকড়ে শুয়ে পড়ে স্যার। বাথরুমের সাদা টাইলস ভেসে যায় রক্তে। মরার আগে মানুষরূপী দানবের কানে বাজে আর্য্যার বলা শেষ কথাগুলো, "কৈ মাছের জান মেয়েদের, তাদের ফেল করার ভয় দেখিয়ে, বাচ্চা বাচ্চা মেয়েদের সাথে পাশবিক অত্যাচার করলেও তারা মুখ বন্ধ রাখে। কিন্তু, তোর জান যে কৈ মাছটার মধ্যে ছিল, সেটা আমি কেটে দিলাম। আমার নাম আর্য্যা। মা দূর্গার নামে নামকরণ আমার তোদের মতো অসুর নিধনের জন্যই।

Copyright © All Rights Reserved to Piyali Chakravorty

৬টি মন্তব্য:

শিরোনাম - সোশ্যালি আনসোশ্যাল✍️ ডা: অরুণিমা দাস

শিরোনাম - সোশ্যালি আনসোশ্যাল ✍️ ডা: অরুণিমা দাস বর্তমানে অতিরিক্ত কর্মব্যস্ততার কারণে একটু বেশি সময় কাজে দেওয়ার জন্য হয়তো একের প্রতি অন্য...