শনিবার, ১০ জুলাই, ২০২১

সান্ধ্যকালীন আলোচনা* ©শর্মিষ্ঠা ভট্ট

 *সান্ধ্যকালীন আলোচনা*

©শর্মিষ্ঠা ভট্ট






 হসপিটাল থেকে ব্যান্ডেজ তুলো, রক্তমাখা নোংরা অনেক জিনিস নিয়ে বিশাল গার্বেজভ্যানে তোলা হচ্ছে। 

নাকে চাপা তবু মুখ কুঁচকে সরে যাচ্ছে অনেকে। 


অথচ সেই সময় সারা বিশ্বে ছুঁৎমার্গ চলেছে। দুরত্ব, সেনেটাইজার, প্রটেকশন কথাগুলো ঘুরে ফিরে হাওয়ায় ভাসছে। অথচ এটা পেশা, ওরা একদিন না হসপিটালে এলে হসপিটাল নরক। আমরা নিজেদের লোকাল গার্বেজ ড্রামেও দূর থেকে নোঙরা ছুঁড়ে দিচ্ছি। অথচ তার থেকে বড়ো কাগজ ছোট কাগজ ভিজে নোঙরা শুকনো নোঙরা ভাগ করে আলাদা করছে ওরা। একদিন না এলে গন্ধে ভরে যাবে এলাকা আসতেই হবে। কি ভীষণ জীবন ওদের। মাক্স ও নোঙরা হয়েছে নোঙরা ঘেটে। শরীর ওদের কি দিয়ে তৈরী। অবলীলায় রক্তমাখা মল মুত্রের কাপড় সরিয়ে ফিনাইলের সুন্দর গন্ধে ভরিয়ে দিচ্ছে হসপিটাল বা এলাকা। এই সব আবর্জনা পরিষ্কার করা মানুষ গুলোকে রোজ, দেড় বছর ধরে বেশি করে দেখেছি। কারন এদের জীবিকার এই কাঠিন্য ছুঁয়ে যেত । আজ বিষয়ে ভালো হল ওদের কথা বলতে পারলাম। কিছুই তো করতে পারিনি চেয়ে চেয়ে দেখা ছাড়া তবু দশটা বন্ধুর কাছে ওদের উৎসর্গ করলাম আজকের কয়েক লাইনের লেখা। চেঁচিয়ে বলতে ইচ্ছা করে নীলকন্ঠ, এ বিষ তোমরা পান করে অমৃত দাও। আরও দাও আরও দাও প্রান। যদি কখনও একটা বন্ধু করতে পারি ওদের থেকে জানাবো। আমাদের পাড়ার ঝাড়ুদারের মেয়ে এবছর পড়া ছাড়লো। আমাকে আন্টি বলে। চেষ্টা করলেও এদের জীবনের গতি কি পরিবর্তন হবে? তবে এই ভীষণ কষ্টদায়ক পেশা চলবে কি করে! সমাজের দরকারে রক্ত বীজের মতো এই অতি সাধারণ মানুষ গুলি জন্ম নেবে কালানুক্রমিক। 🙏

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

শিরোনাম - সোশ্যালি আনসোশ্যাল✍️ ডা: অরুণিমা দাস

শিরোনাম - সোশ্যালি আনসোশ্যাল ✍️ ডা: অরুণিমা দাস বর্তমানে অতিরিক্ত কর্মব্যস্ততার কারণে একটু বেশি সময় কাজে দেওয়ার জন্য হয়তো একের প্রতি অন্য...