শনিবার, ৩১ জুলাই, ২০২১

বিষয় : *বিতর্ক সভা* ( মাতৃভাষা বাংলা বললে যদি রাগ হয়,হোক না মাতৃভাষা ইংরেজি) *©*শর্মিষ্ঠা ভট্ট*

 বিষয় : *বিতর্ক সভা*

( মাতৃভাষা বাংলা বললে যদি রাগ হয়,হোক না মাতৃভাষা ইংরেজি) 

*©*শর্মিষ্ঠা ভট্ট*


মনে রাখতে হবে শিশুর সর্বোপরি বিকাশ ৫ বছর বয়স পর্যন্ত সব চেয়ে বেশি। সেই মুকুলিত অবস্থায় মাতৃভাষার সাথে যদি  দ্বিতীয় ভাষাকে চালু করে দেওয়া যায়। এবং তার রেশ রেখে প্রাথমিকেও ইংরেজি চালু থাকে তাহলে প্যারালাল দুই ভাষা নিতে কখনও শিশুর অসুবিধা হয় না (অভিজ্ঞতা থেকে) ।

এখন প্রশ্ন বাঙলায় পড়াই কি যুক্তিযুক্ত? পশ্চিমবঙ্গই  আমাদের দেশ নয়। এই কথাটি শিশু বা শিক্ষার্থীদের নয়, অভিভাবক ও শিক্ষানীতির সাথে জড়িত সকল মানুষের জানা ও বোঝা জরুরী।  শিক্ষাব্যবস্থা কন্ট্রোলারদের এটি মনে রাখতে হবে রাজ্য নয়, দেশের উপযোগী করতে হবে ভবিষ্যৎ নাগরিকদের। ভারতীয় বিভিন্নতা ও কলোনীয়াল সংস্কৃতি অভ্যাস বশত ইংরেজি পুরো ভারতের এক কমন ভাষা। তাছাড়া বিজ্ঞানে এখনও অনেক শব্দ ইংরেজি অভিমুখীতা বহন করে। উচ্চশিক্ষার সহজ পথ ধাপে ধাপে দ্বিতীয় ভাষাকে আগে থেকেই গ্ৰহণ করে রাখলে প্রতিযোগীতামূলক   বিত্ত ও শিক্ষাবর্ষের লড়াইয়ে পিছিয়ে থাকতে হবে না। বিশ্বায়নের যুগে কুঠরিতে বসে নিজ ভাষার তারিফের মুগ্ধতা নিয়ে বসে থাকলে কুয়োর ব্যাঙ হয়ে থাকতেই হবে। তাই বাইরের দুনিয়ার বিকশিত হতে এই দ্বিতীয় ভাষা শিক্ষা চালিয়ে যেতে হবে। এত গেল বাঙলার আপামর বাঙলা মিডিয়ামের শিক্ষার্থীদের কথা। হয়ত এটা  রাজনৈতিক সিংহাসন বুঝে নিয়েছে, শিক্ষা কম জোর জনগণেরা হিসেব চাইতে আসবে না। 


অন্যদিকে একটা ক্লাসিফিকেশন। একটা ইংরেজি মিডিয়ামের অর্থনৈতিক রাজনীতির বিশাল বাজার। দুনিয়া দেশ সব দিকে ভাষাগত উপযুক্ত একটা গষ্ঠি তৈরী হয়েছে। হয়ত সুদূর ভবিষ্যতে একটা নতুন ক্লাস তৈরী হচ্ছে। এখানে কত চেষ্টা চরিত্র করে বাচ্চাদের ঢোকানো হচ্ছে। কারণ অভিভাবক জেনে গেছে মাতৃভাষা নামক আঁচলটি ধরে এই বিশাল কর্মজীবনের বৈতরণী পার হতে পারা যাবে না। ভার্সাটাইল যুগে যা একান্ত দরকার। ঠিক পথ নিয়েছে অভিভাবক, ক্ষমতা যাদের আছে। 


"তাই ইংরেজি মাতৃভাষা " এই খোঁচা হয়ত যারা দেন, তাদের ঘরের ছেলে মেয়েরাই ইংরেজি মিডিয়ামের। কারন বাস্তব একদিকে। সত্য মেনে নেওয়া আধুনিক ও উন্নয়নের পথে চলা। মা দিয়ে কি কেবল সমাজ চলে? মাসি পিসি কাকি কত "মা"ই তো জীবনের রসায়নে প্রান আনে। স্বাদ আনে পথ চলার। মা না হোক ইংরেজি অবশ্যই মাসি হবার যোগ্য। কারন মনে রাখতে হবে আমাদের দেশের ভাষার ভিন্নতা। আর কথা বলা যোগাযোগের মাধ্যমে একক হলে। মানসিক বিকাশ ও ঐক্য সম্ভব। 


অনেক বড়ো হয়ে গেলো। বিষয়টি এমন রসালো। আলোচনার আবেদন রাখে। ধন্যবাদ দাদারা সুন্দর বিষয়ে বক্তব্য রাখতে পারলাম 🙏

৩টি মন্তব্য:

শিরোনাম - সোশ্যালি আনসোশ্যাল✍️ ডা: অরুণিমা দাস

শিরোনাম - সোশ্যালি আনসোশ্যাল ✍️ ডা: অরুণিমা দাস বর্তমানে অতিরিক্ত কর্মব্যস্ততার কারণে একটু বেশি সময় কাজে দেওয়ার জন্য হয়তো একের প্রতি অন্য...