বৃহস্পতিবার, ১ জুলাই, ২০২১

# নাম - মরা জোছনা। ✍ - শর্মিষ্ঠা ভট্ট।



# চিত্র লিখন : *মরা জোছনা*(অনুগল্প)


 নিশুথি রাতে পেঁচাটা তীব্র স্বরে চেঁচিয়ে উঠে চুপ হয়ে গেল। হয়ত চাষীদের খামারে পড়ে থাকা ধান চুগতে গেছে ইঁদুরের দল। ওর লক্ষ্য ওই দিকে ছিল। কারো পারের আওয়াজে পালিয়েছে শিকার। শিকারী ওঁত পেতে মগ ডালে বসে মাথা হেলাচ্ছে আন মনে। লক্ষ্য তার স্থির এখনও শিকারের আসার পথে। পূর্ণীমার চাঁদ লক্ষ্য করে তাকে। নিঃশব্দ বুদ্ধ পূর্ণিমার চাঁদে তখন চরাচর ভাসছে।কর তালের আওয়াজ ভেসে আসছে বাতাসে ছেঁড়া ছেঁড়া, হেলেদুলে। সত্যনারায়ণ হচ্ছে গৃহস্থের ঘরে, শাঁকে শেষ ফুঁ পড়তেই কেঁদে উঠল কুকুরটা। মন কেন কু গায়। যাদের পায়ের শব্দে ইঁদুর পালালো, ফিসফিস করে মেয়েটি বলে.... " আবার তো চলে যাবে, তবে এমন করে আমায় ভাসাতে আসো কেন ধীরু! আমার মেয়ের বিয়ে ঠিক হয়েছে, জানো ততো। " " লাল চুন্নিতে তোকে অপূর্ব মায়াময় লাগেরে ঝুমি , সেই আগের মতো। " খড়ের গাদায় আরও ঘেসে যেতে যেতে সলজ্জ মেয়েটি বলে " এটা ওর, বাপ মরা মেয়ে আমার, পছন্দের ছেলে, বাস, আর কয়দিন.... তারপর আমার মুক্তি। " আবার পেঁচাটা ডেকে ঠিক ওদের মাথার ওপর দিয়ে উড়ে গেল, ইঁদুর পেয়েছে সে। চাঁদের আলো আরও স্পষ্ট হল যে, কুকুর আবার ডাকে। মেয়েটাকে বুকে নিয়ে শুয়ে থাকা পুরুষ বলে ওঠে.... " আঁক" মেয়েটা তাকিয়ে দেখে চাঁদের আলোয় কতগুলো চেহারা তাদের ঘিরে, ধীরু রক্তে ভাসছে। কারও হিস হিস কথা " বারে আর ঘু ঘু ধান খেয়ে যাও। " ঝুমির চেনা গলা, অবিন্যস্ত জামাকাপড় সামলাতে সামলাতে লজ্জা ও আশংকায় বিড়বিড় করে... " দেবরজী! "©শর্মিষ্ঠা ভট্ট।।

৩টি মন্তব্য:

শিরোনাম - সোশ্যালি আনসোশ্যাল✍️ ডা: অরুণিমা দাস

শিরোনাম - সোশ্যালি আনসোশ্যাল ✍️ ডা: অরুণিমা দাস বর্তমানে অতিরিক্ত কর্মব্যস্ততার কারণে একটু বেশি সময় কাজে দেওয়ার জন্য হয়তো একের প্রতি অন্য...