শনিবার, ১৭ জুলাই, ২০২১

# নামনাম- ট্রেন কম্পার্টম্যান্ট ও পরিবার। ✍ - মৃদুল কুমার দাস।

শুভ প্রভাতী আলোচনা-বাসর।
# বিষয় - *জীবন যেরকম।* #নাম- *ট্রেন কম্পার্টম্যান্ট ও পরিবার।*
   ✍ মৃদুল কুমার দাস।

       জীবনের গতিপ্রকৃতির মধ্যে যত বৈচিত্র্য জীবনের তত শিক্ষনীয়। গতিশীল জগতের কাছে জীবন তার বৈচিত্র্যের জন্য ঋণী। বৈচিত্র্য জীবনকে অভিজ্ঞতা দেয়। অভিজ্ঞতা দেয় জ্ঞানের আলো।
    আমাদের চলমান জীবনের একটা বিশেষ প্রবণতা হল তুলনা করে চলা, তূল্যমূল্য বিচার করা, বৈপরীত্যের মধ্যে সঙ্গতি রক্ষা করা, বিকল্পের সন্ধান করা। এই প্রধান চারটি আচরণ জীবনের মূল ভিত্তি। আরো অনেক এদের অনুসারী আছে। যারা সাপোর্টিং ক্যারেক্টার। সবাই মিলে জীবনের চলমান গতি।
  এখন পরিবার ও ট্রেনের কম্পার্টম্যান্ট কি পরস্পরের বিকল্প? বিকল্প ভাবলে এসে যায় বিকল্প হওয়ার কতটা উপযুক্ত। তাই হল বিচার্য বিষয়। সকল বিষয়ের বিচারের গুণ - ভাল ও মন্দ। 
   পরিবার এক ছন্দায়িত জীবন। আর ট্রেন কম্পার্টম্যান্ট আরেক চাহিদা পূরণের প্রয়োজন সাধনের একটি কৃত্রিম ব্যবস্থা। কম্পার্টম্যান্ট এবং পরিবারের মিল ও অমিল দেখানোর কথা বলা হয়েছে। 
     পরিবার স্থায়ী জীবনের এক বিশেষ রূপ। আর পরিবার থেকে কিছুটা সময় রেলের কম্পার্টম্যান্ট,বড় জোর কয়েক ঘণ্টা কাটানোর একটা কোর্স। পরিবার ফুল কোর্স। রেল কম্পার্টম্যান্ট একটা ডিপ্লোমা কোর্সের মত। রেল যাত্রী পরিবহণ, যাত্রীদের পরিষেবা - তার কোর্স একটা নির্দিষ্ট সিস্টেমে বাঁধা। পরিবারের বাইরে গিয়ে কয়েক ঘণ্টা,একটা বা দুটা,তিনটা দিন কাটিয়ে গন্তব্যে পৌঁছে পারিবারিক ছন্দে ফেরা। শুধু কয়েক ঘণ্টা যা পারিবারিক সুযোগ ভুলে কিঞ্চিত সুযোগ উপভোগ করে একটা সময়ের জার্ণি উপভোগ করা। মিল ঐ যা,কড়ি ফেলে খাওয়ার,জলের সীমিত যোগানে মানানো,বাথরুম একটা পরিষেবার জন্য থাকবে। পরিবারের স্বাধীনতা আর কম্পার্টম্যান্টে পরিষেবা লাভের স্বাধীনতার একটা ফারাক থাকে। কম্পার্টম্যান্ট একটি জার্ণি নিজের জনের সঙ্গে অপরিচিত জনেদের সঙ্গে। পরিবারের ডিসিপ্লিনের সঙ্গে কম্পার্টম্যান্টের ডিসপ্লে সুনির্দিষ্ট নিয়ম থাকে,তা একটা আলাদা ম্যানার,যা পরিবারের কাছ থেকেই আসে,কম্পার্টম্যান্টের পরিবেশের সঙ্গে অ্যাডজাস্ট করতে হয়। পরিবারের জীবনের থেকে আনা ম্যানার শো করতে হয়। বোঝাতে মানুষ ও তাদের ভদ্রতা পারিবারিক। অপরেও তাই। এই নিয়ে কয়েক ঘণ্টার জার্ণি। মিল ও অমিল বলতে গেলে যে যার জায়গার আইডেন্টিটি আলাদা। পরিবারের বিকল্পের এক নগন্যমাত্র দিক। তবে ঘরের বাইরে পা রাখলে কয়েকটা ঘন্টা পরিবারের মতো কিঞ্চিত পরিষেবার ব্যবস্থা থাকে,যা পয়সা দিয়ে কিনতে হয়। ডিসিপ্লিনের বাঁধনের ভিত্তিতে দুই স্থলের মাত্রা আলাদা। পরিবারের কয়েকঘন্টার একটা সময় কম্পার্টম্যান্টে কাটানোর অভিজ্ঞতা সবার আছে। 
    আর পরিবারের সঞ্চিত অর্থে একটা অংশ দিয়ে ট্রেন কম্পার্টম্যান্ট পরিবারে যে পরিষেবা কিনি তাই রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক উন্নয়নের সহায়ক হয়। এক্ষেত্রে দুই পরিবার ভিন্নমুখী। ট্রেন কম্পার্টম্যান্ট জাতীয়তাবাদ,সংহতি,সম্প্রীতির আদর্শ পরিবার।
               *******
  # কপিরাইট রিজার্ভ ফর মৃদুল কুমার দাস।

৪টি মন্তব্য:

শিরোনাম - সোশ্যালি আনসোশ্যাল✍️ ডা: অরুণিমা দাস

শিরোনাম - সোশ্যালি আনসোশ্যাল ✍️ ডা: অরুণিমা দাস বর্তমানে অতিরিক্ত কর্মব্যস্ততার কারণে একটু বেশি সময় কাজে দেওয়ার জন্য হয়তো একের প্রতি অন্য...