*কি নাম দেবো*
©শর্মিষ্ঠা ভট্ট
আকাশে চাঁদ ছিল তুমি ছিলে না।
বৈশাখী ঝড় ছিল তুমি ছিলে না।
সবাই লিখতে পারে তুমি লেখা দিলে না।
কত চেয়েছিলাম লাল ডাইরি থেকে মাত্র একটি,
মাত্র একটি পৃষ্ঠা ছিঁড়তে, পারলে না।
আঁকড়াতে আঁকড়াতে ভুলেই গেলে
হাত দুটো খোলা যায়,
ওড়া যায়।
মেঘ ছুঁয়ে আদর মাখা যায়।
বড়ো কেন্দ্রিক জীবন তুমি বন্ধ করেছো নিজে নিজেই
সবুজ ঘাসে কখনও হাঁটবে না।
একবার আসতে পারো তোমার আকাশ ছোঁয়া ঘর থেকে মাটির পৃথিবীর দেশে!
কথা দিলাম আর ঝগড়া নয়
এক ছাতায় থাকবো আবার,
না আর বায়না করবো না।
শুধু হাতার কোন ধরে হাঁটবো
ক্ষুধার্ত পৃথিবীর বুকে।
কোরাসে গলা মেলাবো আবার, হাঁটবো মিছিলে।
আবার সিগারে ঠোঁট ঠেকিয়ে লিপস্টিকের ছোঁয়া দেবো,
খয়েরীটাই পরবো এবার চকলেট ফ্লেবার।
সব সখ পুরো হবে শরীর কিংবা মনের,
লোহার জাল ছিঁড়ে বেরিয়ে আয় রাজা।
সোনার পাহাড়ের কাজ বন্ধ কর স্তব্ধ আতঙ্ক।
দেখ নন্দিনী আবার এসেছে
পলাশের রঙ মেখে
আবার বুনো ফুলের রেনু বাতাসে নেশার মতো ওড়ে। ফিরে আয় রাজা, চল দামাল নদীতে খেলে আসি
বর্ষায় আকন্ঠ ভিজে বসে থাকি পাশাপাশি।
স্পর্শের অনুভূতি মেখে বাজাই আবার মাদল,
আবার বৈচির মালা গলায় মিছিমিছি বিয়েটা সেরে রাখি।
পাছে ভয় সমাজ টেনে আলাদা করে অর্থ নয়ত জাতের ফারাক খুঁজে।
আয় নারে আবার রক্তকরবীর
মালায় সর্বনাশ দেখি।
রাজা নন্দিনী আবার আসেছে
আসবে বার বার
কেবল একবার পরিচিত চোখ তুলে বলে দে
"ছেড়ে দে এবার। "

বাহ্! অপূর্ব সুন্দর। অসাধারণ! 👍👍❤❤⚘⚘
উত্তরমুছুন