#বিষয় : চিত্রের ওপর লেখনী
# নাম : আমার মতো সুখী কে আছে!
# লেখায় : শর্মিষ্ঠা ভট্ট
সংসার সুখী হয় রমনীর গুনে। কথাটা শুনলেই মন তেলে বেগুনে জ্বলে ওঠে। ভাই সংসার কি রমনীটির একার? কেন তার কেবল গুন থাকতে হবে? হালকা হিসেবে এমন এ্যাকশন আসতে পারে। কিন্তু একটু ভেবে দেখুন তো। কালীমার পায়ের তলায় যে আলোর নাচন, তিনি যে জগৎ পিতা। তিনিও হেলায় নিজেকে ছেড়ে দিয়েছেন, তোমারে সোপিছি প্রান... করে। মা অন্নপূর্ণার কাছে মহাদেব যান দুই মুঠো অন্ন নিতে। আধ্যাত্মিক আলোকে এই সাংসারিক বৃত্তই তো দেখানো হয়েছে। মা যত লাফান ভার কে নেন সংসারের ভোলা ভান্ডারী গৃহকর্তা। সকল জেনেও যিনি চুপ থাকেন , অশেষ আদরে সংসারে থেকেও সন্ন্যাস নেন মহিলা বা নারীটি যাতে সুন্দর একটি ঘর তৈরী করতে পারে। সব সংসার ঘর হয় না কারন এই সমন্বয় শৃংখলা কোথাও ব্যহত হয়! পৌরুষের পরাক্রম সংসারকে শোষনের বদ্ধ ভূমি করতে পারে।
তেমনি নারী সকল কর্ম ও অন্নের চাবি হাতে অন্নপূর্ণা খাদ্য দেন ভালোবাসা দিয়ে সুন্দর করে তোলেন এক স্বপ্নের সংসার, ঘর বাঁধেন, মায়া মোহ মমতায় আঁকড়ে রাখেন সব সম্পর্ককে। তাকে জানতে হয় সম্মান কি, জানতে হয় নীতি বোধ, কথার নিপুনতা আর সর্বোপরি পারিবারিক হিত। চটুল চাহিদা কিংবা মানসিক চাঞ্চল্য সংসারের পক্ষে ক্ষতিকারক। কারন এক মহিলাই পারে বাঁধতে এবং বাঁধা পড়তে। তাই সংসার সচেতন ভাবে করা উচিৎ। আমার মনে হয় বিবাহ বা নতুন সংসার শুরুর আগেই মানসিক প্রস্তুতি প্রয়োজন। একটি অপরিচিত পরিবারকে আপন করার ইচ্ছা মনের মধ্যে থাকতে হবে। তবে রথের দুই পাইয়া সমান থাকতে হবে তবেই এগিয়ে যাবে সংসার নামক সুবর্ণ রথ।

বেশ সুন্দর লাগল। অসাধারণ! ����❤❤⚘⚘
উত্তরমুছুন