# বিষয়-চিত্র আলোচনা
# নাম- নব পুরাতন
✍️ মধুবন্তী দাশগুপ্ত
মিলনের ছবি, বন্ধনের ডাক, নিবিড়তার হাতছানি! মানুষ যখন বয়োবৃদ্ধ হয়ে শারীরিকভাবে দুর্বল হতে বাধ্য হয়, তখন তাকে নতুন দেহ প্রদান করা সম্ভব হয়না, কিন্তু তার মনকে কচি রাখতে পারা যায় এক তরুণ বা শিশুর সান্নিধ্যে রেখে। জীবনের অন্তিম পর্যায় যখন আসে, শরীররে ভাঁজ প্রকট হলেও, ভাবনাচিন্তার জটগুলো কিন্তু ধীরে ধীরে মসৃণ হতে থাকে, হৃদয় তখন পেতে চায় অতি সহজ সরল এক অন্তর, যার মধ্যে নেই কোনো প্যাঁচ বা জীর্ণতা।
চিত্রটি দেখে আমার কল্পনায় ভেসে উঠেছে দুটি আলাদা মানুষের করতল মিলিত হয়েছে, একজনের তাজা রক্ত অপরজনের ক্ষয়প্রাপ্ত শিরা-উপশিরায় স্পর্শ করে যেন পরস্পরকে আশ্বাস দিচ্ছে তারা একে অপরের পাশে আছে।
পুরাতনকে নতুন সাহস যোগাচ্ছে যে, অতীত না থাকলে বর্তমানের অস্তিত্বই থাকতো না। যে আগে পৃথিবীকে চিনেছে, সেই তো আগামীর কর্ণধারকে সন্ধান দেবে বিপুল সম্পদের খোঁজ, যার দ্বারা ক্রমাগত গড়ে উঠবে উন্নততর নতুন নতুন আশা ও তার সফল রূপায়ন।
অপরদিকে, শীর্ণ, জীর্ণ মৃত্যুপথযাত্রী নবকলেবরের কিশলয়কে যেন উজাড় করে দিয়ে দিচ্ছেন তিলে তিলে সযত্নে পালন করা নিজের হৃৎপিণ্ডটি। দীর্ঘ সময় ধরে শরীরের যে অংশটি বহু ঘাত-প্রতিঘাতের সাথে লড়াই করে, বা নানাবিধ আনন্দের বীজ বপন করে সর্বংসহা হয়ে উঠেছে, সেটি উপহার হিসেবে প্রদান করছেন তাঁর যোগ্য উত্তরসূরীকে।
এই প্রসঙ্গে কবির সাথে সুর মিলিয়ে বলতে ইচ্ছে করে,
"কালের যাত্রার ধ্বনি শুনিতে কি পাও.........
ওগো বন্ধু, সেই ধাবমান কাল
জড়ায়ে ধরিল মোরে ফেলি তার জাল--"
**********
#কপিরাইট রিজার্ভ ফর মধুবন্তী দাশগুপ্ত।

দারুণ। দারুণ লাগল। অসাধারণ!👍👍❤❤⚘⚘🖋
উত্তরমুছুনঅসাধারণ লিখেছো
উত্তরমুছুনঅসম্ভব ভাল একটি লেখা দিদি।
উত্তরমুছুনভালো লাগলো 👌👌👌
উত্তরমুছুনখুব সুন্দর লিখেছ বন্ধু ❤️
উত্তরমুছুনদারুন।
উত্তরমুছুন