মঙ্গলবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০২০

# বিষয় - সান্ধ্য আলোচনা (অনুগল্প) নাম - ম্যানেজমেন্ট#লেখায় - শর্মিষ্ঠা ভট্ট

নাম - ম্যানেজমেন্ট


বড়ো ঘুম বড়ো ঘুম। বেলা নটার আগে চোখ খুলতে চায় না আয়নার। অফিসের কাজ ঘরে হলে যা হয়। তার ওপর রাত ভোর পড়া। সামনের ইউ পি এস সি কমপ্লিট করতে চায়। এই সময় তো নিজেকে নিকড়ে দেবার।ক্লাস টেন দেবার আগে কার কাছে যেন শুনেছিল, আগে যারা ছোটে শেষে বসে খায়।তাই যদি হয়, তাই রাত দুটো আড়াইটা হয়ে যায়। সকালে ওঠা অন্তত দশটা ধরে রেখেছে। ওর বন্ধুরা তো দুপুর বারোটাও করে ফেলে। তবে আয়নার যোগা আছে একটু আগে ওঠার চেষ্টা করে। লেট নাইট নিয়ে বড়োদের কাছে প্রায় লেকচার শুনতে হয়। কিন্তু ওদের কে বোঝাবে সময় পাল্টে যাচ্ছে। আগে আইটি সেক্টর ছিল? ছিল এত কম্পিটিশন কিংবা সময়ের দাম। লেটরাইজার কুঁড়ে বা অলস নয় সব সময়।শরীরের আট ঘন্টা ঘুম তো চাই। একে সময় ম্যানেজমেন্ট  বললে মন্দ হয় না। কে কি বলল কি এসে যায় ! কুল থাকাটা দরকারী। আর ওরা এখনের জেনারেশন বলে " চাপ নিও না" । 


আয়নার মা মৃদু হেসে মেয়েকে তুলে দেয়, ওদের এই "বিন দাশ " ভাবটা ওনার পছন্দ। আয়না কাজের বিষয়ে কিন্তু অনেক এক্টিভ ও স্ট্রঙ্গ। সে যে যা বলুক মা মাথা খায়, কি এসে যায়। এদেরও পরিশ্রম অনুসারে বিশ্রাম চাই। আগে শুনেছে ঠাকুমার সময় চারটেতে উঠত, আর সন্ধ্যা হতে না হতে ঘুম। তারপর লাইট টিভি পড়াশোনা কর্মজীবনের চাকায় ঘড়িও বদলাচ্ছে, আরও বদলে গেলে ক্ষতি কি! কর্মব্যস্ত জীবন হবে আরও। 

©কপিরাইট অধিকারী শর্মিষ্ঠা ভট্ট।

২টি মন্তব্য:

শিরোনাম - সোশ্যালি আনসোশ্যাল✍️ ডা: অরুণিমা দাস

শিরোনাম - সোশ্যালি আনসোশ্যাল ✍️ ডা: অরুণিমা দাস বর্তমানে অতিরিক্ত কর্মব্যস্ততার কারণে একটু বেশি সময় কাজে দেওয়ার জন্য হয়তো একের প্রতি অন্য...