মহিলা সাহিত্যিক।। পর্ব ২
কাজল মল্লিকের মতো মহিলা সাহিত্যিক ছেয়ে গেছে। মাঝে মাঝে মনে হয় ,আজকাল পড়ে কম , লেখা যেন বেড়ে চলেছে। সাহিত্য চর্চার ভাষা ও ধরন পাল্টে যাচ্ছে খুব দ্রুত। এখন বাঙলার অলিতে গলিতে একটি মহিলা সাহিত্যিক পাবেই পাবে। তুমি লিখতে পারো এই কথায় কেমন একটা সুপ্ত আত্ম তৃপ্তি লুকিয়ে আছে । সাহিত্য সম্মেলনে এত ভুঁই ফোঁড় কবি সাহিত্যিক কোথা থেকে যে এসে যায়! আসলে শিক্ষিতের হার বাড়ছে। শিক্ষাগুলো এই ভাবেই পথ করে নিচ্ছে, এই ভাবে হতাশা বেকারত্ব ও একাকীত্ব ইত্যাদি অনেক কিছুর ওষুধ! আত্ম তৃপ্তির এক সহজ উপায়। এমনি করে যায় যদি দিন যাক না। একটু অন্যরকম সময় কাটানো।
সংসারের সব কিছু সামলে হিমসিম রিমা তালুকদার লেখে, লিখতে তার বেশ লাগে। একটা দুটো পত্রিকার রিকোয়েস্ট এলে তখন তোড়জোড় করে লেখে, নেশার মতো । বকুনি খায়, বাচ্ছা কাঁদে বর রাতে পাশে ঘুমায় তবু লেখা চলে। লিখতে গিয়ে দেখেছে মনের মাঝে চাপা দুঃখর বড়ো টোটকা। লিখতে গেলে সব ভোলা যায়। তবে প্রায় খোঁটা খায় - ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়ানো। কিংবা কোনো পয়সা পাও , এত মেহেনতের কি লাভ? সাহিত্য কি লাভ লোকশান দেখে এন্ট্রি মারে! রিমা মুক্ত বিহঙ্গ হতে চায়।
রাত দুটো ওপাশ থেকে ফোন -" চিনতে পারছেন? " রিমার ঘুমন্ত বরের দিকে তাকিয়ে বলে "পারছি? কোথায়? " ওপাশের গম্ভীর স্বর গাঢ় হয়
" তুমি নেই বলে বেলা, আমি একেলা" ।ফোনে ফিসফিসিয়ে বলে "আমি বেলা নই। " " আমরা কেন্দুলির কবি মেলায় এসে হারিয়ে গেছি বেলা, তুমি আসবে একটু বাতি দেখাতে। " এবার রিমা ফোনটা টুক করে কেটে দিল। "মিলন যাত্রী"র রতন। কোন কবি সভায় গিয়ে ড্রিংস নিয়ে বসেছে। একটু চড়ে গেছে এখন ওর কবিতার বেলাকে ও ফোন করে করে খুঁজবে। কে জানে জীবনানন্দ বনলতা সেনকে এমন রাত দুটোয় ফোন করে খুঁজেছে কি না কখনও! এই কবিসভার আড্ডায় ড্রিংস কেন যে এত পপুলার ও উৎসাহের বিষয় বোঝে না। এক লাইন কবিতা পেন দিয়ে বের হল কি না ওই জলের জন্য পিপাসার্ত। সেদিন মহিষবাথানের কবি সম্মেলনে ঋতুপর্নাকে দেখেছিল স্টেজের পেছনে এক দু ঢোক নিতে। ওকেও অবশ্য অফার করেছিল, রিমার কেন জানি ওপন প্লেসে এসব ঠিক ভালো লাগে না। ওর বারনটা ওদের হয়ত ভালো লাগেনি। অরুন ধিতি ঋতুপর্ণা বিশ্বজয় মিলি এদের একটা দল সব যায়গায় এটা ওদের চাই। তবে স্টেজে ওঠে । আর এই রতন তো ওদের গড ফাদার। ও নাকি এ সব না চড়ালে লিখতেই পারে না। ওর আবার লেখার নির্দিষ্ট সময় ধরা বাঁধা আছে। ঘরের লোকজন সহ্য করে তাই। রিমা তো সারাদিন কাজ করেও মন পায় না,সংসারের পান থেকে চুন খশলে যত দোষ সাহিত্যের। পুরুষদের কত বিষয়ে রিবেট আছে। সময় কেনার রিবেট, রিমা পায় না সময়,একটুও না। ঘরের বৌদের নিজের জন্য সময়! নীলাঞ্জনা অবশ্য বলে রতনের বর্তমানে ঋতুপর্ণার সাথে। ঋতুপর্ণার লাইফের ব্যাপারে কি যেন সেদিন বলছিল নীলাঞ্জনা। রিমার " সাঁচী " পত্রিকার জন্য লেখা চাইতে গিয়ে এ সব বলছিল বটে কিন্তু কাজের চাপে আর শোনা হয়নি।
©copyright reserved for Sharmistha Bhatt.

দারুণ! দারুণ! চলুক। সব পর্ব পড়ব।👍👍👌👌❤❤🙏🙏
উত্তরমুছুনঅনেক ধন্যবাদ🙏দাদা🙏🌷🌷🌷🌷
মুছুনআরো অনেক কষ্ট আছে মহিলা লেখকদের ,তারা সব বিষয়ে লিখতে গেলে অনেক প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়।
উত্তরমুছুনঠিক বলেছো। আচ্ছা ওটার ওপরে কাজ করবো অবশ্যই। অনেক 🙏💕🙏💕🙏💕ধন্যবাদ।
মুছুনদারুণ লাগলো
উত্তরমুছুনঅনেক ধন্যবাদ🙏💕 🍫🍫🍫🍫🍫💞💞💞
উত্তরমুছুনদারুণ এগুচ্ছে দিদি। পরের পর্বের অপেক্ষায়
উত্তরমুছুনঅনেক ধন্যবাদ। 💖💖💖💖💖💖
উত্তরমুছুনদারুণ দারুণ।খুব ভাল চলছে।
উত্তরমুছুন