শুভ চিত্রালোচনা দিবস।
# বিষয় - চিত্রালোচনা।
# নাম- দৃষ্টিকোণ
✍ - মৃদুল কুমার দাস।
মান ও হুঁশ নিয়ে মানুষ ও মনুষ্য পদবাচ্য। আর তার সাথে প্রকাশশৈলী মানুষ নামের বিশিষ্টতা। জীবনের চাহিদা যেমন খাওয়া পরা মাখা আর মাথার উপর যে ছাদ তার ধরন রকমারি। তেমনি রকমারি কথা বলার ভঙ্গী। এই ভঙ্গীই মানে ম্যান ইজ দ্য স্টাইল হিমসেল্ফ - যে যার স্বকীয় বৈশিষ্ট্যের অধীন।
কেন এই পার্থক্য? পরিবেশ এর মূলে। দেশ ভেদে,কাল ভেদে,আর্থসামাজিক অবস্থা ভেদে,রাষ্ট্র ভেদে মানুষে মানুষে কত ভেদ। ভেদ জাতপাতে, বর্ণবৈষম্যে,সম্প্রদায়ে,ধর্মীয় দৃষ্টিকোণে বহুমাত্রিক ফ্যাক্টর। ফ্যক্টরের উপর ফ্যাক্টর!
এই সব নিয়ে মানুষের বহুবিধ পরিচয়। এই বহুবিধ পরিচয়ের বর্ণণাকে দৃষ্টিকোণ দিয়ে সংজ্ঞায়িত করা হয়। এই দৃষ্টিকোণের কোনো মানুষ ভেদে মাত্রা নির্দিষ্ট নয়। দৃষ্টির কোনো সীমাবদ্ধতা নেই। এই দৃষ্টিকোণ থেকেই জীবন দ্বিগুণ হয় - ব্যবহারিক ও আধ্যাত্মিক। ব্যবহারিক দৃষ্টিকোণের যাত্রা বহুমুখী। যত বহুমুখী জীবন তত জটিল। কিন্তু আধ্যাত্মিক দৃষ্টিকোণ একমুখী বলে এই ধরনের জীবন খুব সরল ও জটিলতা মুক্ত হয়। আধ্যাত্মিক জীবনের দৃষ্টিকোণ আবেগময়। ভগবানের জন্য সর্বস্ব ত্যাগী হতে হয়। বিশ্বাস আর বিশ্বাস দিয়ে যাও,ফিরে তাকানো নেই। বিপরীতপন্থী যারা তাদের দৃষ্টিকোণ সুখ-দুঃখের, আনন্দ-বেদনার,হাসি-কান্নার। নিজের চেয়ে নিজের ছায়াকে বড় মনে করে।
আর রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণে মানুষের ওখানে চলে বীভৎস কেরিকেচার। মতাদর্শের লড়াই আছে। রাষ্ট্রতন্ত্রে বৃহৎ মঞ্চে চলে ক্ষমতার পালাবদল।
তাই দৃষ্টিকোণের শেষ নেই। তার উপর ভর করেই মানুষে মানুষে পার্থক্যের শেষ নেই। প্রশংসা যেমন আছে নিন্দা পাল্লাও কম যায় না।
আর এতো সবের জন্য মেধা,বুদ্ধি,মানসিকতার আলাদা। নারী ও পুরুষ আলাদা সত্তার। দৃষ্টিকোণের মধ্যে উদারতা,সঙ্কীর্ণতার জন্য মানুষ একে অপরের থেকে আচরণে আলাদা। এই দৃষ্টিকোণে যে যার আইডেন্টিটি নিয়ে চলেছে। ধনী ও দরিদ্রের দৃষ্টিকোণ তো সবার জানা।
এই নিয়ে আলোচনার শেষ নেই।
জ্ঞান গর্ভ ব্যাখ্যা 🙏
উত্তরমুছুনধন্যবাদ। শুভেচ্ছা। অনুপ্রাণিত। ❤❤🙏🙏
মুছুনদুর্দান্ত লেখনী👌🏻🙏
উত্তরমুছুনধন্যবাদ। শুভেচ্ছা। অভিনন্দন। অনুপ্রাণিত। ❤❤💫💥
মুছুনঅসাধারণ ।💐💐
উত্তরমুছুনধন্যবাদ। শুভেচ্ছা।❤❤💫💫💥💥
মুছুন