*নদী*: কি চাও বলো আমার কাছে?
*রবি*: কিছু চাইনি তো আমি।
*নদী*: তবে অমন সকাল-বিকেল আমায় ছুঁয়ে ডাক দিয়ে যাও কেন?
*রবি*: ভালো লাগে।
*নদী*: শুধু ভাল লাগা? আর কিছু নয়?
*রবি*: ভালোবাসি।
*নদী*: ভালোবাসো?
*রবি*: কেন তুমি বাসো না আমায়?
*নদী*: ভেবে দেখিনি তো
*রবি*: সত্যিই কি তাই? কোন পুরুষ যখন প্রতিদিন কোন নারীর সঙ্গে দু'দণ্ড বসে গল্প করে তাকে আরো কাছে পেতে চায় তখন কি তা সত্যিই ভাবনার বাইরের জিনিস?
*নদী*: আমিও একবার পুরুষ হয়ে তোমাকে নারী রূপে দেখতে চাই।
*রবি*: না ও কথা আর কখনো বলোনা।
*নদী*: কেন রবি?
*রবি*: নারী যখন পুরুষ হয়ে ওঠে তখন তার মধ্যে মায়া মমতা কিছু থেকে গেলেও চোখের ভাষা বদলে যায়।
*নদী*: ভারী অদ্ভুত ভাবনা তো তোমার। শুনলে হাসি পায়।
*রবি*: হাসি পায়। তা পাক। তবুও তুমি পুরুষ হওয়ার ইচ্ছে প্রকাশ করবে না কখনো। তুমি চাইলে ক্ষণিকের জন্য বীরাঙ্গণা হও। তবুও পুরুষ হতে চেওনা। আমি দেখতে চাই না ওই বেশে তোমায়।
*নদী*: কেন রবি! এত ভয় কেন?
*রবি*: কারণ আমি তোমার শান্ত কোমল স্নেহময়ী রুপের কাছে আমার সকল সুখ খুজে পাই, তোমার নরম কোলে আমার শান্তি, তোমার নিষ্পলক চোখের গভীরে আমার ভালোবাসা খুঁজে পাই।
*নদী*: আমিও তো তোমার বীরপুরুষের মতো তেজো দীপ্তিতে মোহিত হই।
*রবি*: সত্যি বল দাবদাহের গ্রীষ্মে আমার প্রখরতা তোমার ভালো লাগে? নাকি শীতের সকালে যখন হালকা মেজাজে থাকি তখন ভালো লাগে!
*নদী*: যাও তোমার সাথে কথায় পারবো না।
*রবি*: মৃদু হাসি।
*নদী*: তবে আমি কিন্তু দেখেছি ওই মানুষের মধ্যে মোটা চেহারার পিতৃ মাতৃহীন জীবনসংগ্রামের তাগিদে নারীটিকে ধীরে ধীরে কাজকর্মে পুরুষ হয়ে উঠতে।
*রবি*: তুমি ওকে ঘর বাঁধতে দেখেছো?
*নদী*: না তো। তবে ওর মধ্যে ঘর বাঁধার স্বপ্ন দেখেছিলাম একবার। কিন্তু কেউ ওকে সাহায্য করেনি। সমাজ ওকে মরদ আখ্যা দিয়েছে। কোন পুরুষ কাছে এসে ওর মনে নারীত্বকে জাগিয়ে তুলতে চাইনি।
*রবি*: তবে যে!
*নদী*: তবে কি? সব নারী পুরুষের মত কাজ করলে কি পুরুষ হয়ে যায়?
*রবি*: না তা হয় না। তবে বহু সংসারী মানবী নারীকে সময় আর পরিস্থিতি পুরুষ করে তোলে। তখন সে হারিয়ে ফেলে তার নিজস্ব সত্তা। তাই আমারও ভয় হয়।
*নদী*: হ্যাঁ তা ঠিক। আমিও দেখেছি এমন।
*রবি*: ছাড় ওসব। দেখো সবুজ বনানী দূরের ঐ সারস এর দল কেমন আমাদের দিকে তাকিয়ে আছে। এবার আমার বিদায়ের পালা। আবার কাল এসে শীতের চাদরের মতো জড়িয়ে ধরব আরেকবার। ততক্ষণ বিদায়।
*নদী*: বেশ তবে যাও হে রবি। তোমার আমার না দেখার সময় টুকুর নাম দিই ক্ষনিকের নির্বাসন।
*রবি*: না নির্বাসন নয়। বল অপেক্ষা!
********
অসাধারণ! অপূর্ব লাগল। 👌👌❤❤⚘⚘🖋
উত্তরমুছুনঅসংখ্য ধন্যবাদ দাদা।🙏🙏💐💐
মুছুনঅসম্ভব ভাল বললেও কম বলা হবে।খুব অভিনব লাগল।
উত্তরমুছুনঅনেক অনেক ধন্যবাদ ও ভালোবাসা।❤️❤️💐💐🙏
মুছুনউফ, কি অসাধারণ। এতো নতুনত্বে ভরা লেখা। মন মুগ্ধ হয়ে গেলো
উত্তরমুছুনঅসংখ্য ধন্যবাদ দাদা।🙏🙏💐💐💐❤️
মুছুনঅসাধারণ 💖💖💖💖💖💖
উত্তরমুছুনঅনেক ধন্যবাদ ও ভালোবাসা।🙏❤️❣️❣️
মুছুনঅপূর্ব অপূর্ব বেশ নতুনত্ব আছে মন ভরিয়ে দিলো👏👏👏
উত্তরমুছুনঅনেক অনেক ধন্যবাদ ও ভালোবাসা।❤️❤️💐💐💐🙏
মুছুনখুব ভালো লাগলো
উত্তরমুছুনঅসাধারণ 👌
উত্তরমুছুননতুনত্বের স্বাদ পেলাম গো, মা তোমার কাছে বারবার পাই।💕🌷🎉
অনেক অনেক ধন্যবাদ ভালবাসা।❤️❤️💐💐🙏
মুছুনসত্যি অসাধারণ...👌👌👌
উত্তরমুছুনঅসংখ্য ধন্যবাদ দাদা।❤️💐💐💐🙏
মুছুন