হিন্দু ধর্ম অতি প্রাচীন সনাতন ধর্ম ।মনুসংহিতায় রজস্বলা নারী সম্পর্কে বলা হয়েছে,রজ স্বলা নারী প্রথম দর্শন থেকে তিনদিন গৃহবন্দী হয়ে থাকবে ।স্নান করবে না,অলঙ্কার পড়বে না,এক স্থানে বসে থাকবে এবং মাটির হাঁড়িতে তৈরী অন্ন গ্রহণ করে ভূমিতে শয্যাগ্রহণ করবে ।এই সময় তাকে স্পর্শ করা যাবে না ।এমনকি রজস্বলা নারীর পতি যদি মিলিত হন তার সাথে তো সেই পুরুষ ক্ষয় প্রাপ্ত হন।
কিন্তু হায় বিধাতা,রজস্বলা নারীইই যে সৃষ্টির ধারক ও বাহক ।তো সেই সৃষ্টির উৎস অশুচি ।তাই................
'নেই এই শুচিতার নেই প্রয়োজন,
হোক দূরীভূত এই অন্ধকুসংস্কারের
আয়োজন '।
বৈশালী চ্যাটার্জী ।
ভালো লেখা
উত্তরমুছুনবাহ দারুন লিখলেন,মাটির হাড়িতে কেনো খাওয়া হতো জানেন,শরীর ঠান্ডা করার জন্য এবং গরম ভাত সেই কারণে সেইসময় খাওয়া নিষিদ্ধ ছিলো, বলা হতো সেই সময় গরম ভাত খেলে নাড়ি জ্বলে অকাল বন্ধ্যাত্বের সূচনা হবে।
উত্তরমুছুনবেশ লেখা।
উত্তরমুছুনছোটো লেখনীর মধ্যও দিদি অনেক কিছুই বুঝিয়ে দিলেন
উত্তরমুছুনদারুণ লিখেছো🤗🤗🤗🤗👌🏻👌🏻👌🏻👌🏻👌🏻
উত্তরমুছুনদারুণ লিখেছেন।💐💐
উত্তরমুছুনঅল্প কথায় খুব সুন্দর করে বোঝালেন দিদি👌👌👌💐💐💐💐💐
উত্তরমুছুনখুব সুন্দর লিখেছেন।👌
উত্তরমুছুনভালো লাগলো।
উত্তরমুছুনখুব ভাল দিদি।কুসংস্কারের আড়ালে ছিল কিছু বিজ্ঞান।
উত্তরমুছুন