আত্মমর্যাদা ।
পারমিতা মন্ডল ।
।।।।।।।।।।। 💐পর্ব ----১ 💐 ।।।।
"তুমি আজই এখান থেকে চলে যাবে দিদি ? তা কোথায় যাবে ঠিক করেছো ?" হ্যাঁরে ,এখানে আমার আর এক মুহূর্ত ভালো লাগছে না ।আমি আজই এখান থেকে চলে যাবো । এই পরিবেশ আমার কাছে বড় অচেনা লাগছে । দম বন্ধ হয়ে আসছে আমার । ভাবছি অনেক দূরে কলকাতাতেই যাবো যেখানে কেউ আমাকে চিনবে না । জীবন টাকে নতুন করে আবার শুরু করবো । " কেন রে তোর ওখানে আমাকে একটু থাকতে দিবি না?"
"কি যে বলেন দিদি , আমি হলাম গরীব মানুষ । আমার কাছে কি তুমি থাকতে পারবে ? তোমার কষ্ট হবে যে ।" "না রে রমেশ , গরীব বড় লোকের কথা নয় । তোর কাছে আমি কতদিনই বা থাকবো ? আমাকে তো কিছু একটা করতে হবে বল ! জমানো টাকায় কতদিন চলবে ? তাছাড়া তুই তো জানিস কাবেরীর পুরো খরচ আমিই দেই । তাই কাজ তো আমাকে করতেই হবে । নাহলে ওর পড়াশোনা বন্ধ হয়ে যাবে । ওকে তো আমিই ভরসা দিয়ে দায়িত্ব নিয়ে , আমার কাছে নিয়ে এসেছিলাম সবার বিরুদ্ধে গিয়ে । ওর সব দায়িত্ব তো আমারই । তাই কাজ তো আমাকে করতেই হবে ।সে যে কাজই হোক না কেন? তবে এখানে আমি আর থাকবো না। তুই তো জানিস সব।"
"তাই বলছিলাম কলকাতায় কোথাও একটা ছোট খাটো ঘর আমাকে ভাড়া করে দে । আমি ওখানে চলে যাব । এই পরিবেশে আমার আর একদিন ও থাকতে ইচ্ছা করছে না "। বলেই ঝরঝর করে কেঁদে ফেললেন তপতি দি । জন্ম থেকেই তিনি এখানে ছিলেন না । তবে বহু দিন হয়ে গেল পুরুলিয়ায় এই গ্রাম্য পরিবেশের সাথে নিজেকে মানিয়ে নিয়েছেন । গ্রামের এই সরল সাদাসিধে মানুষ গুলো ওনাকে খুব ভালো বাসতো । কিন্তু কি এমন হলো যে তিনি এখানে আর একটু ও থাকতে চাইছেন না ।
চলে এলেন কলকাতায় । সল্টলেকের কাছে যে বড় বস্তিটা আছে তার কাছে একটা টালির চালের ঘর ভাড়া পেলেন তপতী দিদি । বেশী বড় বাড়ি ভাড়া নিতে গেলে টাকা বেশি লাগবে । তার চেয়ে এই ভালো ।বৃদ্ধা মাকে নিয়ে সবকিছু ছেড়ে এখানে এসে উঠলেন তিনি । "না, আর পিছন ফিরে তাকাবো না । যা হয়েছে ভলোই হয়েছে ।অন্যায়ের সাথে আপস করা যায়না । তার চেয়ে এই ভালো ।কিন্তু এভাবে তো চলবেনা । একটা কাজ তো যোগাড় করতে হবে। একে তো কলকাতা শহর ।তার উপর জানাশোনা কেউ নেই । ঐ শুধু এক রমেশ দরোয়ান ছাড়া । রমেশকে বলেছিল যদি কোন কাজ যোগাড় করে দিতে পারে । ছেলেটা অনেক করেছে আমার জন্য। এখনো করছে । কিন্তু এখানে কাজ পাওয়া খুব মুসকিল। তাছাড়া আমার যা বয়স তাতে কোন কোম্পানিতে ও কাজ পাবো না । আর বেশী দূর হয়ে গেলে যাতায়াত ও করতে পারবো না। " এই সব নানান চিন্তা আসছে মনের মধ্যে ।
।।।।।।।।।।।।। 💐💐💐পর্ব ২💐💐💐 ।।।।।।
"আজ একমাস হলো আমি মাকে নিয়ে এখনে চলে এসেছি । এখনো কোনো কাজ পাইনি । কিন্তু এভাবে বসে বসে খেলে তো সব টাকা শেষ হয়ে যাবে। কাবেরী কেই বা টাকা পাঠাবো কি করে ?" মনে মনে ভাবছে তপতি দি । কাবেরী তো এসব কিছুই জানে না ।এমন সময় রমেশ এলো । রমেশের খুব খারাপ লাগছে আমাকে এভাবে দেখে ।তারপর কোন কাজ নেই । ও একটা কাজের খোঁজ নিয়ে এসেছে । কিন্তু বলতে ইতস্ততঃ করছে । একটি বাচ্চা মেয়ের পুরো দায়িত্ব নিতে হবে। ওর মা চাকরি করেন। তাই মেয়েক ঠিক মতো দেখাশোনা করতে পারে না ।ওরা এমন একজন লোক খুঁজছে , যে মেয়েটিকে স্কুলে পৌঁছে দিতে ও নিয়ে আসতে পারবে , আবার তার পড়াশোনা ও খাওয়া দাওয়ার ও দায়িত্ব নিতে পারবে । অর্থাৎ গভর্নেস । মেয়েটি তৃতীয় শ্রেণীতে পড়ে ।
কোন কাজ ছোট না ।তাই সব শুনে রাজি হয়ে যান তপতি দি । পাঁচ হাজার টাকা মাইনে দেবে । তার থেকে বড় কথা কাজের মধ্যে থাকলে সবকিছু ভুলে থাকা যাবে।
যাইহোক কিছু তো হবে। তাছাড়া ঘরে বসে থাকতেও আর ভালো লাগছে না । পুরনো কথা মনে পড়ে যাচ্ছে । তার থেকে কিছু একটা কাজ করলে মন ভালো থাকবে । তাই রাজি হয়ে যায় তপতী ।
আজ তিন মাস হলো মিমির দেখা শোনা করছে তপতী দি ।ভালোই লাগছে । এ এক নতুন জীবন । কি মিষ্টি মেয়েটা । এই কয়দিনে কেমন আপন করে নিয়েছে ।তপতী দি মিমিদের বাড়িরই একজন হয়ে গেছেন । মিমির বাবা বাইরে থাকেন কর্মসূত্রে । মিমির মা দুই ছেলে মেয়েকে নিয়ে এখানে থাকেন । ওনাকে খুব সকালে বেরিয়ে যেতে হয় । ঠাকুমা আছেন ।রান্নার লোক ও আছে ।কিন্তু মেয়ের পড়াশোনার খুব ক্ষতি হয়ে যাচ্ছিল । ছেলে নাইনে পড়ে ।ও যখন ছোট ছিল তখন ওর বাবা কাছে ছিল । দুজনে মিলে মিসে কাজ করে ছেলেকে বড় করেছেন। কিন্তু মেয়ের জন্য গভর্নেস রাখতে হলো । কাজের লোক নয় । লেখা পড়া জানা একজন শিক্ষিত মানুষ ।যে মিমির পুরো দায়িত্ব নিতে পারবে। মিমির পড়াশোনাও দেখতে পারবে । পেয়েও গেল তপতী দি কে ।
।সকালে মিমি কে যখন স্কুলে পৌঁছে দিতে যায তপতি দি , তখন খুব ভালো লাগে। কেমন একটা উদাস দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকেন স্কুল বিল্ডিং টার দিকে ।ছেলে মেয়েদের ঐ কোলাহল , ঘন্টার আওয়াজ, মায়েদের ব্যাস্ততা, দেখে তিনি কোথায় যেন হারিয়ে যান। নিজের অজান্তেই চোখে দুফো়ঁটা জল চলে আসে। এই পরিবেশ তার যে বড় চেনা । খুব আপন । নীরবে কিছুক্ষন দাঁড়িয়ে থাকেন । তার পর আস্তে আস্তে ফিরে আসেন ।
মিমির দাদা ঋক ক্লাস নাইনে পড়ে । ও খুব ভালো পড়াশোনায়। তপতী দিকে মাসি বলে ডাকে । নিজের মাসির মতোই ভালো বাসে ।ওদের ঠাকুমা কনকচাঁপা দেবীও তপতী দিকে খুব ভালো বেসে ফেলেছেন । সবচেয়ে বড় কথা নাতি নাতনির পুরো দায়িত্ব নিয়ে নিয়েছেন তপতী দি। তাইতো এতো ভালো বেসে ফেলেছেন । তাছাড়া নাতনি মিমি এবার প্রথম পরীক্ষায় খুব ভালো ফল করেছে ।তাই ওর মাও খুশি । এদিকে ঋককে সারাদিন পড়তে হয়। ওর ক্লাস নাইন ।তাই পাঁচজন শিক্ষক শিক্ষিকা । বেচারা সারাদিন দৌড়ায়। দুজন স্যার শুধু বাড়িতে আসেন । একজন অংক করান আর একজন বাংলা । তাই ওর যাতে কোন অসুবিধা না হয় সেটাও দেখেন তপতি দি। স্যার আসার আগেই ওকে জোর করে খাইয়ে দেন ।
কিন্তু সেদিন ঘটে গেল এক অঘটন । ঋকের অংক স্যার খুব কড়া ।অংক করে না রাখলে খুব বকাবকি করেন । কিন্তু ঋক তো অংক গুলো ঠিক করে বুঝতে পারেনি । তাই স্যারের কাছে পড়বে না বলে বায়না করছিল । এমন সময় স্যার চলে এলেন । ঋকের সব অংক করা হয়নি বলে বকতে শুরু করলেন । একে তো ছেলে টা পড়তে চাইছিল না তারপর বকলে তো কিছুই মাথায় ঢুকবে না ।। অংকটা স্যার যতবার বোঝাচ্ছেন ঋক ধরতেই পারছে না । হঠাৎ স্যারের উ়ঁচু গলায় বকা খেয়ে ঋক ঘাবড়ে যায় । এবং সে কাঁদতে শুরু করে। এমন সময় হঠাৎ উত্তেজিত হয়ে তপতিদি ঘরে ঢুকে গেলেন। ঋকের কাছ থেকে খাতাটা নিয়ে স্যারের সামনে খুব সহজ পদ্ধতিতে অংকটা করে দিলেন । পর পর বেশ কয়েক টা অংক করে বোঝানোর পর ঋক খুব সহজেই বুঝতে পারলো । খুব খুশি ঋক ।স্যার তো কখনো এই পদ্ধতিতে অংক করাননি । এদিকে স্যার চোখ বড় বড় করে তাকিয়ে ছিলেন তপতিদির দিকে । জীবনে কখনো এতটা অপমানিত তিনি বোধহয় হননি এর আগে । বাড়ির সামান্য একটি গভর্নেস তাকে অংক শেখাতে এসেছে ।
হঠাৎ সম্বিত ফিরে পান তপতিদি। তিনি যেন অন্য জগতে চলে গিয়েছিলেন । না ,না এটা তিনি ঠিক কাজ করেননি ।তার ভুল হয়ে গেছে। স্যার হয়তো অপমানিত হয়েছেন । এবার একাজটাও যাবে । উনি নিশ্চয়ই ঋকের বাবা মাকে বলবেন । আর একজন সামান্য গভর্নেসের এই স্পধা ওরা মেনে নেবে না । কাল থেকে আর কাজ থাকবে না । কেন যে তিনি এরকম বারবার করেন । স্যার কে দেখে বোঝাই যাচ্ছে উনি প্রচণ্ড রেগে গেছেন। তপতিদি স্যারের কাছে ক্ষমা চেয়ে বললেন," আসলে ঋকের কান্না দেখে তিনি উত্তেজিত হয়ে একাজ করে ফেলেছেন । তার ভুল হয়ে গেছে।"
।।।।।।।। 💐💐💐পর্ব --৩💐💐💐💐
সেদিন অন্য দিনের তুলনায় একটু তাড়াতাড়ি বাড়িতে চলে এলেন তপতিদি । রাতে বিছানায় শুয়ে আজ অনেক দিন পর আবার উথাল পাথাল করছে মনের মধ্যে । পুরুলিয়া শহরের প্রত্যন্ত গ্রামে একটা স্কুল । সেখানের একজন সহকারী শিক্ষিকার পদে যোগদান করেন তপতিদি । চোখে স্বপ্ন মনে আশা নিয়ে শুরু করেন চাকরি জীবন। শিক্ষকতার সাথে সাথে কিভাবে গ্রামের মানুষের উন্নতি করা যায় সে চেষ্টা ও করেন তিনি । কিছু দিনের মধ্যে গ্রামের সবার কাছে তিনি খুব জনপ্রিয় হয়ে যান ।স্কুলের বিষয় ছাড়াও অনেকে আসতেন তার কাছে সাহায্যের জন্য । কারো ছেলের অসুখ, কারো মেয়ের বিয়ের জন্য টাকা দরকার , তিনি সাহায্য করতেন । সংসারে তপতিদির মা ছাড়া আর কেউ নেই । তিনি বিয়ে করেননি । তাই ওদের সাহায্য করতে কোন অসুবিধা হতো না । যদিও তখন টিচারদের মাইনে এতোটা ছিল না।
তার এই জনপ্রিয়তা অনেকেই ভালো চোখে দেখতেন না । আবার তপতিদির জন্য তাদের অসুবিধাও হচ্ছিল । তাই ওরা চেষ্টা করছিল তপতিদি কে বিপদে ফেলার ।সেই সুযোগ ও একদিন চলে এলো । ক্লাস এইটের একটি না বালিকা মেয়ে কাবেরীকে জোর করে বিয়ে দিচ্ছিল । কাবেরী পড়তে চেয়ে ছিল । কিন্তু অভাবের সংসারে বাবা মা তার সেই কথা শোনেনি । তাই কাবেরীও সুযোগ খুঁজছিল পালানোর । অবশেষে সে বিয়ের আসর ছেড়ে পালিয়ে আসে তপতি দির কাছে । তপতিদি লুকিয়ে রাখে মেয়েটিকে তার কাছে । তারপর পুলিশে খবর দেন কিন্তু কিছুক্ষনের মধ্যে গ্রামের লোকজন এসে হামলা করে । গ্রামের মাতব্বররাও আসে ওদের সাথে । ওরা তপতিদির বিরুদ্ধে মেয়ে পাচার করার অভিযোগ আনে । ওরাও খবর দেয় পুলিশে । ওরা টাকা খাইয়ে কেসটাকে উল্টো করে সাজিয়ে ফাঁসিয়ে দেয় তপতিদিকে। কাবেরীও ভয় পেয়ে মিথ্যা সাক্ষী দিয়ে দেয় । পুলিশ এ্যরেস্ট করে তপতিদিকে । কিন্তু অভিযোগ প্রমাণ করতে না পেরে ছেড়ে দেয় । এতো বড় আপমান তিনি এর আগে কখনোই হননি । যে গ্রামের উন্নতির জন্য গ্রামের মানুষকে ভালো বেসে জীবনের এতো গুলো বছর কাটিয়ে দিলেন , এদের সাথে আজ তারা তাকে ভুল বুঝলো ?? কাবেরীর মা যখন ছোট বোনটার জন্ম দিতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে ছিল তখন তো তপতিদি নিজের খরচায় গাড়ি ভাড়া করে হসপিটালে নিয়ে যান । এরা সব ভুলে গেল !
তপতিদিকে তাড়াতে না পারলে লুটে পুটে খেতে পারছিলো না ওরা ।তাই এই নোংরা পলিটিক্স করে । মনের দুঃখে চাকরি ছেড়ে দেন তিনি । অনেকেই বলেছিল "আপনি হেরে গিয়ে পালিয়ে যাচ্ছেন । আপনার লড়াই করা উচিত "। কিন্তু কাদের জন্য লড়াই করবেন তিনি ? তার নিজের প্রয়োজন তো সামান্য ছিল । রোজগারের অর্ধেকের বেশী টাকা তো ভালো বেসে এদের পিছনে খরচ করেছেন । আর আজ এরা –– যেভাবেই হোক অন্য কোন কাজ যোগাড় করে নেবেন ।কিন্তু এই অপমান সহ্য করে এখানে এক মুহূর্ত নয়। চলে এলেন কলকাতায় ।
এইসব ভাবতে ভাবতে কখন যেন ঘুমিয়ে পড়ে ছিলেন । উঠে দেখেন সকাল হয়ে গেছে । আজ আর মিমিদের বাড়িতে যেতে হবে না। কাল যা অন্যায় করেছেন তাতে ঋকের স্যার খুব রেগে গেছেন । উনি নিশ্চয়ই ঋকের মাকে সব বলেছেন । কিছুই আর ভালো লাগছে না । সততা, আদর্শ এগুলোর আজ আর কোন দাম নেই । এমন সময় দরজায় কে যেন ধাক্কা দিল । এতো সকালে কে এলো ? দরজা খুলেই অবাক তপতিদি ।ঋকের মা এসেছে । হয়তো কয়েকটা কটু কথা বলবে । সে ভুল করেছে ঠিকই তাই বলে বাড়িতে চলে এলো ? উনি আরো অবাক হয়ে গেলেন পিছনে সেই অংকের স্যার ও এসেছেন দেখে।
ঋকের মা বললেন," আপনি আজ গেলেন না তাই আমাকেই আসতে হলো । আজ থেকে শুধু মিমির না , ঋকের দায়িত্ব ও আপনি নেবেন "।কি বলছেন ইনি ? নিজের কানকে বিশ্বাস করতে পারছেন না । এমন সময় পিছন থেকে কে যেন "ম্যাম" বলে ডেকে উঠলো । ভুল শুনলেন কি ? না, না ঋকের স্যার কাছে এগিয়ে এসে বলল , "আমাকে চিনতে পারলেন না ম্যাম ?" আমি জয়ন্ত । কানু মিস্ত্রির ছেলে । আপনি টাকা না দিলে আমি লেখা পড়াই শিখতে পারতাম না কোন দিন । আপনি আমাকে চিনতে পারেন নি । কিন্তু সেদিন যখন আপনি ওভারে ঘরে ঢুকে পড়াতে শুরু করলেন তখন আপনাকে দেখে চিনেছিলাম । কিন্তু মেলাতে পারিনি । আপনার পড়ানোর সেই সহজ ভঙ্গিমা আজও আমি ভুলিনি ।
জয়ন্ত পায়ে হাত দিয়ে প্রনাম করলো ।তারপর সব কথা শুনলো ।তপতিদি বললেন"' টাকার থাকে আদর্শ, সন্মান এগুলো অনেক বড়। তাই আমি সব ছেড়ে চলে এসেছি ।"
আজ অনেক দিন হয়ে গেল তপতিদি তার যোগ্য সন্মান ফিরে পেয়েছেন। না', না চাকরিতে আর ফিরে যাননি । জয়ন্তর কোচিং সেন্টারে তিনি একজন আদর্শ শিক্ষিকা হিসাবে ছেলে মেয়েদের মানুষ গড়ার কাজ করে চলেছেন ।
সমাপ্ত।
অসাধারণ! কোনো কথা নয়।👌👌💫💫💥💥💯💯💅💅
উত্তরমুছুনধন্যবাদ দাদা।🙏🙏,
উত্তরমুছুন