বুধবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২০

#নাম - 'হিন্দু-হিন্দুত্ব এবং বিবর্তন'(১০-ম পর্ব)


 # বিষয়- 'হিন্দুধর্ম'

#নাম- 'হিন্দু-হিন্দুত্ব এবং বিবর্তন '

   ✍ -

মৃদুল কুমার দাস।

               ( ১০-ম পর্ব )

       বালগঙ্গাধর তিলক রাজনীতির ধর্মযুদ্ধের প্রাঙ্গণে যোগ্য উত্তরসুরী হিসেবে নিয়ে এলেন চিতপবন গোষ্ঠীর তরুণ যুবক বিনায়ক দামোদর সাভারকার(১৮৮৩-১৯৬৬)কে। মারাঠী সম্প্রদায়ের তিনি। অত্যন্ত বুদ্ধিমান ও জাতীয়তাবাদী। খুব একটা সাহসী না হলেও তবে গুপ্তসমিতি অভিমুখীকরণে ভালোই দক্ষ। তখন চলছিল গুপ্তসমিতির যুগ। মহারাষ্ট্র এই গুপ্তসমিতির হোতা। অরবিন্দ ঘোষের বিপ্লবী জীবনের শুরু এই গুপ্ত সমিতি দিয়ে। এক সময় বাংলায় গুপ্তসমিতি অরবিন্দের হাতেই গড়ে উঠেছিল।
যাই হোক তিলকের গুপ্তসমিতির হাত ধরে স্বাধীনতা লাভের স্বপ্ন দিয়ে শুরু হল স্বাধীনতা আন্দোলনের অগ্নিযুগ। বিপ্লবীদের আখড়া।
  সাভারকার তিলকের মন্ত্রশিষ্য। শিষ্যের জন্য একটা কিছু ব্যবস্থা না থাকলে কি হয়। তিলকেরই ব্যবস্থাপনায় সাভারকার যান বিলেতে পড়তে। লন্ডনে হাইগেট মহল্লায় ছিল ইন্ডিয়া হাউস নামে ভারতীয় ছাত্রদের হস্টেল। সেখানে থাকার ব্যবস্থা হয়।
এই হস্টেলটি চালাতেন শ্যামজি কৃষ্ণ ভার্মা নামে এক বিপ্লবী। এই হোস্টেল তত্ত্ববধায়কের দায়িত্ব পান সাভারকার।  কালক্রমে ইন্ডিয়া হাউস হস্টেল হয়ে ওঠে ব্রিটিশ বিরোধী কার্যকলাপের আখড়া। এমনকি ব্রিটেন ও মহারাষ্ট্রে নরহত্যার ঘটনাও পর্যন্ত ঘটে। এতে সাভারকার যে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত তার প্রমাণ ছিল ব্রিটিশ সরকারের হাতে নাতে। পরিনামে শাস্তি আন্দামানে যাবজ্জীবন কারাদন্ড।
ততদিনে মোহনদাস করমচাঁদ গাঁধী উল্কার গতিতে উঠে আসছেন জাতীয় আন্দোলনের রাশ নিজের হাতে ধরবেন বলে। অরবিন্দ ঘোষ শূন্য জাতীয় আন্দোলনের ভবিতব্য খাবি খাচ্ছিল ১৯১০- ১৯১৪ এই পাঁচটি বছরের সময়সীমায়। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের (১৯১৪-১৯১৮) দামামায় জাতীয় নেতৃত্বের শূন্যস্থানে জায়গা করে নিলেন মহাত্মা গাঁধী। দক্ষিণ আফ্রিকায় অহিংসা সত্যাগ্রহের সাফল্যে বিশ্বে তিনি খুব পরিচিত একটি নাম। পরিচিত সূত্রের সেই ছক, বিশ্ব চেনালে আমরা চিনি।
   গাঁধী কোনো মতেই হিংসার পথে হাঁটবেন না। অহিংস পথে থেকে তিনি শুধু জাতীয়তাবাদী নন, আন্তর্জাতিকতাবাদী। কোনো অছিলায় হিংসার সাথে আপস করবেন না।
এখানেই হিন্দুত্বের জাতীয়তাবাদে মেরুকরণ ঘটে গেল।
ইতিমধ্যে মুচলেকা দিয়ে আন্দামান থেকে ফিরলেন সাভারকার। হিন্দুত্ববাদে জাতীয়তাবাদ ঠেসে ঠুসে সাভারকার যা ঢুকিয়ে দিলেন তার সঙ্গে গাঁধীর হিন্দুত্ব একেবারে বিপরীত মেরুতে।
গাঁধীর 'হিন্দস্বরাজ' তো সাভারকারের 'হিন্দুত্ব'( একখানা চটি বই,যা তিনি লিখেছিলেন আন্দামানের সেলুলার জেলে বসে)- যেন দু'জনের মেনিফেস্টো।
সাভারকার নিজেকে একজন একনিষ্ঠ হিন্দুত্ববাদী বলে জোরের সঙ্গে বলতে লাগলেন। তাঁর গোটা 'হিন্দুত্ব' বইটি জুড়ে ইতিহাস ও সাহিত্যের দলিল যেন। শব্দ চয়নে ও প্রয়োগে পদে পদে প্রমাণ করতে চেয়েছেন হিন্দুত্বের সংজ্ঞা কি।
'হিন্দু' শব্দের যথার্থ তাৎপর্য বোঝাতে 'পিতৃভূ' ও 'পুণ্যভূ'র অণ্বয় সাধন করেছেন তিনটি উপাদানের সাহায্যে।
যেমন -

১। রাষ্ট্র তথা জাতীয় ভূচৈতন্য।

২। রাষ্ট্রের নানা বহিরাগতদের নিয়ে জাতি(race) নির্মাণ।

৩। সাংস্কৃতিক ঐক্যের বোধ ও তার অনুভূতি।

একাধিক রাজ্যকে এক ছাতার তলায় এনে শাসন করা থেকে এল জাতীয় ভূচৈতন্য। এই রাজনৈতিক চিন্তাধারায় অখন্ড ভারতরাষ্ট্র। প্রমাণ - রামচন্দ্রের অশ্বমেধ যজ্ঞে কেবল আর্য রাজারা নয়, হনুমান,সুগ্রীব ও বিভীষণের মতো আর্যেতররা রামরাজ্যের আনুগত্য সাদরে স্বীকার করেছিল। রামরাজ্য 'পিতৃভূ'। আর বাকিরা হনুমান,সুগ্রীব,বিভীষণ এঁরা অনার্যরূপে পিতৃভুর আশ্রিত।
সাভারকারের মতে - "অশ্বমেধ যজ্ঞের দিনই আমাদের হিন্দু জনগণের প্রকৃত জন্মদিন।" অর্থাৎ আর্য ও অনার্য মিলে এক সমবেত জনগোষ্ঠী 'নেশন' পরিণত হল। এই আদর্শে প্রাণিত হয়ে হিন্দুরা প্রজন্মের পর প্রজন্ম লড়াই করে আসছে।
তাই হিন্দুরা 'জাতি' বা race নামে গ্রাহ্য।
হিন্দুরা এই 'পিতৃভূ' ও 'পুণ্যভূ' নানা সংস্কৃতিতে পুষ্ট। বৈদিক বা অবৈদিক,লিঙ্গায়েত বা হিন্দু সম্প্রদায় ধর্মাচরণে ভিন্ন। সাংস্কৃতিক বোধে এই ভূমি তাদের কাছে পুণ্যভূ - সকলকে পুণ্যার্জনে সাহায্য করেছে। এই হিন্দু পিতৃভূই ইহুদি, খ্রিস্টান, মুসলমানদের সঙ্গে একাত্মতা বোধ করেছে ও সাংস্কৃতিক চর্চার পুণ্য তীর্থ করে তুলেছে, তাই পুণ্যভূ হয়েছে। এদেশ হিন্দুদের। অহিন্দুরা আশ্রিত। রবীন্দ্রনাথ,বঙ্কিমচন্দ্র আমাদের ও এদেশীয়, পাশে সেক্সপীয়ারের দরকার আছে,কারণ মিশ্র সংস্কৃতি পোষন আমাদের ঐতিহ্য। তাবলে এ দেশ সেক্সপীয়ারের বলব না নিশ্চয়। এই হল সাভারকারের উগ্র 'হিন্দুত্ব' মেনিফেস্টো।
সাভারকার আরো বলতেন ভারত ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের কাছে পুণ্যভূ মানসিকতার আশ্রয়। এদেশে ইসলাম বিজয়ের বহু আগে আরো অনেক বৈদেশিক শক্তির শাসন শুরু হয়েছে। হিন্দুরা সবসময় তার বিরুদ্ধে লড়াই করে এসেছে। বৈদেশিক শক্তি মুসলমান। তাদের দেশ এটা নয়। হিন্দুদের তাই ভারতবর্ষ পিতৃভূ। এই কথাগুলো তিনি তাঁর 'হিন্দু পদ-পাদশাহী' (১৯২৪)গ্রন্থে খুব জোরের সঙ্গে বলেছিলেন। এই বইয়ে তিনি হিন্দু জাতির আকাঙ্ক্ষা ও স্বপ্নের কথা অকপটে বলেছেন। সাভারকার গুরু তিলককে ছাড়িয়ে আরো কট্টরপন্থী। তিলক কোনোদিন মুসলিম বিদ্বেষী ছিলেন না। সাভারকার সে সবের ধারে কাছেও থাকলেন না। তাঁর কাছে ইসলাম পুণ্যভূ,পিতৃভূ নয়।
গাঁধীর ভারত ছাড়ো আন্দলন যখন একপ্রকার স্তিমিত,ইংরেজ দেশ ছাড়ার জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত তখন অখন্ড ভারতবর্ষের স্বাধীনতা লাভের চলছে পূর্ণ উদ্যোগ, ঠিক সেই সময়ে উত্তর-পশ্চিম ভারতের কোহটে কোনো এক হিন্দু হজরত মহম্মদকে ব্যঙ্গ করে ছড়া লিখে গোটা শহরে ছড়িয়ে দেন। তাই হিন্দু- মুসলিম সম্পর্কের সাম্প্রদায়িক লড়াইয়ে প্রবল ইন্ধন জোগায়। সংঘাত চরম জায়গায় পৌঁছায়। সেই ইন্ধনের তদন্তের রিপোর্ট কলকাতার সর্বদলীয় সম্মেলনে পেশ করা হয়। তখন জিন্নাহ বলেছিলেন -

"বিশ্বাস করুন হিন্দু-মুসলিম একসঙ্গে হাত না মেলানো পর্যন্ত ভারতের অগ্রগতি সম্ভব নয়।"

সঙ্গে সঙ্গে একজন মারাঠী নেতা বলে উঠলেন -
"হিন্দুরা এক মহান জাতি, মুসলিমরা একটা সম্প্রদায় মাত্র। জাতি আর সম্প্রদায়ে হাত মেলাতে পারে না।"

জিন্নাহ সভা ত্যাগ করলেন। স্থির করলেন মুসলিমদের একটা জাতিতে পরিণত করতে হবে। আর এই জাতির জন্য দাবি করলেন একটা পিতৃভূ বা স্বদেশ। দাবি পাকিস্তান স্বাধীন রাষ্ট্রের। লেগে গেল সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা। স্বাধীনতা লাভ গাঁধীর কাছে নিরর্থক মনে হল।‌‌ দাঙ্গা থামানোর জন্য নিজেকে কলকাতায় নিয়ে এলেন। তাঁর স্বরাজ ভাবনার চিরতরে তলিয়ে গেল। স্বাধীনতা দিবস পালিত হচ্ছে একদিকে,সমূহ সিদ্ধান্তের রূপকার জওহর লাল, বল্লভভাই প্যাটেল, সর্দার বলদেও সিংহ প্রমুখ। আর গাঁধী নিজেকে সেই উৎসব থেকে সরিয়ে রাখলেন। কলকাতায় সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা রুখতে নিজেকে  ব্যস্ত রাখলেন। ঠিকানা সোদপুরের অভয় আশ্রম।
কী ছিল সেই গাঁধীর স্বরাজ ভাবনা,যা প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে পেলেন ব্যর্থ নায়কের তকমা। এমনকি ইসলামের তেজো পর্যন্তও শুনতে হয়েছিল।
    গাঁধী যখন আফ্রিকা থেকে দেশের রাজনীতিতে নিযুক্ত হলেন তখন বালগঙ্গাধর তিলক জাতীয় কংগ্রেসের কান্ডারি। মহারাষ্ট্রে তিলক, পাঞ্জাবে লালা লাজপত,আর বাংলায় বিপিন চন্দ্র পাল। লাল-বাল-পাল। তিন জনেই উগ্র প্রকৃতির। উগ্রতা তাদের ইংরেজ বিরোধিতায়। এই বিরোধিতা দমনে সরকার প্রয়োগ করলেন রাউলাট আইন। আর এই আইনের বিরোধিতায় গাঁধীজী নামলেন অহিংস আন্দোলন নিয়ে। সেই শুরু,শেষ ভারত ছাড়ো আন্দোলন দিয়ে। এই দু'য়ের আন্দোলনের মধ্যবর্তী গাঁধী নিছক জাতীয়তাবাদী শুধু নন, আন্তর্জাতিকও বটে। পিতৃভূ যদি উগ্র জাতীয়তাবাদ হয়,স্বরাজ গাঁধীর আন্তর্জাতিকতাবাদ। কী এই স্বরাজের বিষয়?
তিনি কোনো অছিলাতেই হিংসার সঙ্গে আপোষ করবেন না। তাঁর ভারত-ভাবনার মূলে ছিল বিশ্ব-ভাবনা। তাঁর কাছে ভারত-ভাবনার মূলে মানুষই শেষ কথা। আর ভারতবর্ষ হল সব মানুষের জন্য বিধাতার হাতে গড়া এক বিশাল আশ্রয় ও আস্থার ভূমি। কেউই বিশেষ অধিকার নেওয়ার জন্য নয়,আবার কেউ প্রত্যাখ্যাতও নয়। জাতীয়তাবাদের অর্থ বলতে তিনি বোঝাতে চেয়েছিলেন স্বাধীনতাহীনতায় চলা নয়। অর্থাৎ মানুষ অপমানিত হওয়ার জন্য আসেনি। সে বর্ণবৈষম্য হোক,বা সাম্প্রদায়িক ভেদবুদ্ধির শিকারে হোক।
তিনি বিশ্বাস করতেন ধর্ম মানুষের পরলোকের জন্য প্রস্তুতি দেয়,আর ইহলোকের বিষয় হলো রাষ্ট্রের সেবা। দুটো বিষয় পৃথক। ধর্ম ও রাষ্ট্র আলাদা করা উচিত। এই যদি জনগণের অভিমুখিনতা হয় তাহলে দেশের ও সমাজের উন্নতি। তাই তিনি ধর্মের ভিত্তিতে রাজনৈতিক সন্ন্যাসী। রাজনীতি জনসেবার প্রধান উপায়। সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রকৃত সেবার পথ রাজনীতি। তাই তিনি বলতেন রাজনীতি করি মানুষের সেবার জন্য। তাই বলে উগ্র হিন্দুত্ব দিয়ে জাতীয়তাবাদকে আচ্ছন্ন করার একেবারে বিরোধী। উগ্র সাম্প্রদায়িকতা আনে হিংসা। আর হিংসার চিহ্ন দেখলেই শিউরে উঠতেন। কারণ অস্ত্রের দ্বারা নিরস্ত্র মানুষের অধিকার ছিনিয়ে নেওয়া অন্যায়। সেই অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই ছিল অহিংসা দিয়ে। তিনি কোনোদিন হিংসা দিয়ে হিংসা জয়ের পক্ষপাতী ছিলেন না। মানুষই তাঁর প্রধান শক্তি।
   তাই পিতৃভূর জাতীয়তাবাদ মানে রামরাজ্য,বাকি সব রামের রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত যেই হোক সে হবে পুণ্যভূ। এ হল হিন্দুত্বের জাতীয়তাবাদ। আর হিন্দ্ স্বরাজ রামের রাজ্যে সকলেই ঈশ্বরের সন্তান। কেউ বিশেষিত হওয়ার জন্য নয়,আবার কেউ প্রত্যাখ্যাত হওয়ার জন্যও নয়। বর্ণশ্রেষ্ঠ হিন্দু যেমন মানুষ,হরিজনও মানুষ। সকলেই ঈশ্বরের সন্তান। ভেদবুদ্ধি আনা পাপ। তাই তার রাজ্যে নেই হিংসার স্থান। তাই হল মহাত্মা গাঁধীর-
        
               'হিন্দ্ স্বরাজ'। 

     #_____সমাপ্ত____#

*** ঋণ স্বীকার ঃ-
   ১। 'বাঙালীর নৃতাত্ত্বিক পরিচয়' - অতুল সুর।(বিশ্বভারতী বিচিত্রবিদ্যাঃ 
               ১৯৮৬ )
   ২। 'বাঙালীর ইতিহাস :- নীহাররঞ্জন
    রায়। ( আদি পর্ব : দ্বিতীয় সংস্করণ )
   ৩। 'প্রাচীন ভারত : সমাজ ও সাহিত্য'
                - সুকুমারী ভট্টাচার্য।
   ৪। Wikipedia : Dravidian People
   ৫। 'হিন্দু ও হিন্দুধর্ম' : রজতকান্ত
     ‌  রায়চৌধুরী।( 'দেশ'- বই সংখ্যা। ২-
           ফেব্রুয়ারি,২০১৭)
   ৬। 'মহাত্মাজি : কিছু কথা' - সুরজিৎ
       দাসগুপ্ত।( 'দেশ': ২-অক্টোবর,
                 ২০১৮,পৃ:- ১৮,১৯)
   ৭। 'হিন্দ স্বরাজ না হিন্দুত্ব' - 'দেশ' পত্রিকা,১৭জানুয়ারী ২০২০ :-
       ক) সাভারকারের ভারতচিন্তা -
               গৌতম ভদ্র; পৃ:-২৩-২৬)
       খ) ভারত এখন: আন্তর্জাতিক
           বনাম জিঘাংসা - সুমিত মিত্র:
                                   পৃ:-২৭-২৯)

       @copyright reserved for Mridul Kumar Das. 


৭টি মন্তব্য:

  1. উত্তরগুলি
    1. ধন্যবাদ। অনুপ্রাণিত। শুভেচ্ছা। 👌👌👍👍💯💯💯💫💫💥💥❤❤💅💅

      মুছুন
  2. ধন্যবাদ। শুভেচ্ছা। অনুপ্রাণিত। 👌👌👍👍💯💯💫💫💥💥❤❤💅💅

    উত্তরমুছুন
  3. অসাধারণ একটা লেখা।লেখক কে জানাই সাধুবাদ।

    উত্তরমুছুন
  4. অসাধারণ👏✊👍 জ্ঞান💯📖📚📝 অর্জন করলাম। শুভেচ্ছা💐

    উত্তরমুছুন
  5. সমগ্র রচনাটি তথ্যবহুল ও তাৎপর্যপূর্ণ।জ্ঞানভান্ডার সমৃদ্ধ হল।ধন্যবাদ দাদা।

    উত্তরমুছুন

শিরোনাম - দুরত্ব✍️ ডা: অরুণিমা দাস

 শিরোনাম - দুরত্ব ✍️ ডা: অরুণিমা দাস আধুনিকতা মানেই অন্যরকম একটা ব্যাপার, উন্নতির পথে এগিয়ে যাবার সিড়ি তৈরি করে দেয় আধুনিকতা। আজকাল কেউ আ...