শুভেচ্ছা দিনের ছবি পর্যালোচনার।
আজ শরীরের অন্তর্লীন রহস্য সংস্কারশূন্য মনে পর্যালোচনার দিন।
শরীরের বিপাকীয় ক্রিয়ায় জৈবিক প্রকৃতির দুটি সত্তা। নর ও নারী। জিনগত বৈশিষ্ট্য আলাদা থেকেই দৈহিক কাঠামোয় বিপরীত। দু'জনের জন্যই বংশগতির
ধারা রক্ষিত হয়। আর পুরুষ দাতা,নারী গ্রহীতা। দাতা কাকে দান করবে যদি গ্রহীতা না থাকে। গ্রহীতার হৃদয়ে শূন্যতা না হলে গ্রহণ হবে কি করে। গ্রহণ যে করে বর্জনের প্রক্রিয়ার তার মধ্যেই থাকে। নর্দমা,ঘরের স্যানাটারি গৃহের মন্দির যতটাই পবিত্র ওরাও তাই। ওরা না থাকলে বর্জনের বোঝার গুরুদায়িত্ব পালন না করলে পরিবেশ সুন্দর ও সুস্থ হতে পারতো না। তাই ঠাকুর ঘরের মতো সমতুল্য। অনেক অভিজাত পরিবার তাদের ড্রেনেজ ও স্যানেটরীকে ঠাকুর ঘরের মতোই সমান পবিত্র মনে করেন। বাড়ী করার সময় স্যানিটারি ও ড্রেনেজ সিস্টেম আগে গুরুত্ব পায়।
জীবনের ক্ষেত্রে এও ঠিক তেমনি। নারীর দেহের জিনগত কাঠামোই তাকে প্রকৃতির অংশ করেছে। গ্রহণ,ধারণ তার হাতে। তাই অহংশূণ্যতা করে সন্তান ধারণের সাথে সাথে। এই পবিত্র কর্মের জন্য প্রতি মাসের অপেক্ষা অবসান হলেই প্রতীক্ষার সাজকে বর্জনের জন্য নিষ্ক্রমণ ঘটিয়ে আবার নতুন সাজের উপকরণ ধারণ করতে হয়। এই যে বর্জন প্রক্রিয়াকে অশুচি বলার মধ্যেই তৈরী হল দুর্বল মানসিকতা। তা থেকেই সংস্কার,তা থেকেই কুসংস্কার। মেডিক্যাল সায়েন্স এতো উন্নত ছিল না বলে,তার উপর ধর্মীয় আধিপত্য চড়াও হয়েছিল। সেই রেশ চলছে। তবে অনেকটাই কুসংস্কার থেকে মুক্ত। কিন্তু সেই উদারতা এখনও বেশ বাকি আছে বললাম এজন্য ছবির উপর আলোচনার জন্য নির্বাচন দু'জনেই নারী। তাই সাহসের বলিহারি যখন মন্তব্য করা হচ্ছে তখন সেদিকেই ইঙ্গিত স্পষ্ট।
প্রত্যেক সৃষ্টির মধ্যে একটা ক্রিয়া সম্পন্ন হয়। নারী সন্তান ধারণের জন্য, সেখানে সে স্রষ্টা। নারীর জীবনের চরম পাওয়া সন্তানের জননী হওয়া। সেই কম্মটি এই অনুষ্ঠানের অঙ্গ। কিন্তু যৌনক্রিয়া,যৌনজীবন,যৌনাঙ্গ- সব যেন একটা ধর্মীয় ব্যাখ্যায় অনুচিত অশুভ। আর চিকিৎসা বিজ্ঞান সুচিতা প্রমাণে আজও অক্লান্ত। তাই জ্ঞাণে বড়,ধর্মীয় বিচারে নয়। ধর্মাচরণ আমাদের কুসংস্কারের অধীন করেছে। তা থেকে মেয়েদের পুজোয় অধিকার নেই। রজস্বলার সময় মন্দিরে উঠতে নেই। কি ধর্মীয় সংস্কারের পীড়ন রে বাবা!
তাই যত নষ্টামি ব্যাখ্যা ছেড়ে এর প্রতি গোঁড়ামি শূন্য হচ্ছি তাই ভাবি যেন। আর তাই আনুক উদার দৃষ্টিভঙ্গি। আর বিজ্ঞান হোক বর্ম।
ধন্যবাদ। ❤❤🙏🙏
✍ মৃদুল কুমার দাস।
দারুণ লিখেছেন দাদা👌🏻🙏
উত্তরমুছুনধন্যবাদ। ❤❤💫💫💥💥💅💅
মুছুনঅনবদ্য লেখনী দাদা
উত্তরমুছুনধন্যবাদ। ❤❤💫💫💥💥💅💅
উত্তরমুছুনখুব ভালো লিখেছেন দাদা 👌👌👌💐💐💐😊😊😊
উত্তরমুছুনভাষার গভীরতায় একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে অসাধারণ ভাবে তুলে ধরেছেন দাদা।
উত্তরমুছুন