শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২০

#বিষয়- ছোটোগল্প।

#বিষয় - ছোটোগল্প
#নাম - 'বন্ধখাম'
  # কলমে - মৃদুল কুমার দাস।
মন্দিরা, ইমলি, বনানী, কেতকী, সুরভী এদের দেখলে চোখ ফেরানো অসম্ভব। ভগবান চোখ জোড়া দিয়েছেন কেন সত্যি বোঝা যায়। লম্বায়, চেহারায় হেরফের আছে। রঙে উনিশ বিশ পার্থক্য। রূপে উঠতি যৌবনবতী। উচ্চমাধ্যমিক দেওয়া হয়ে গেছে। কলেজে যাবে গাঁটগণতি মাস তিনেক পরে। এই সময়টা ওদের হাতে যা অফুরন্ত। টইটম্বুরী একটু যা বেশী হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু ওদের মনে হয়না, এতো মশগুলে কাটাচ্ছে,বরং ওদের সময় মনে হচ্ছে কম পড়ে যাচ্ছে। 
এদের মধ্যে মন্দিরাকে একটু বেশি পরিনত লাগে। বয়সের তুলনায় একটু যেন বেশি অভিজ্ঞ। সবে সকলে আঠারো পেরিয়েছে। কেউবা এক দু'মাসের আগে পরে আছে।
  ছোট্টবেলা থেকে বড় হয়েছে সবাই একসাথে। নবাবগঞ্জ গাঁয়ে। গাঁয়েই স্কুলে পড়ে সব্বাই। 
সরকারের কন্যাশ্রী তারা। সকলে সাইকেল পেয়েছে। স্কুলে আসা, প্রাইভেট টিউশনি পড়া সব একসাথে। ঐ সাইকেল নিয়ে টইটই করে এখন ঘুরে বেড়ায়। গ্রামের সীমানা ছাড়িয়ে এখন দূরেও হৈ হৈ ,খল খল,কল কল রবে দিকবিদিক শূন্য  হয়ে ছোটাছুটি করে। মেয়ে হয়ে এই আচরণ সহ্য হয়না নিবারণ চক্রবর্তীর। এসব ধিঙ্গিপনা,বেহেয়াপনা তাঁর সহ্য হয়না। তাদের ধা ধা করে বেড়ান পথে ঘাটে দেখলেই। বাপেদের শ্রাদ্ধ শান্তি করে। কারণ এই সব সোমত্ত মেয়েদের বলদের মতো ছেড়ে রেখেছে বলে। এরা বলদ হলে কী যে করতো তাই ভেবে কুলকিনারা পায় না। আমার মেয়ে হলে এদের বাইরে পা বাড়ানো বের করে দিতাম। ঠ্যাঙ ভেঙে রেখে দিতাম।
নিবারণ চক্কোত্তির একটু সেকেলে। বয়স হয়েছে। সত্তর ছুঁইছুঁই। তবে বড়ই করিত কর্মা। সংসারে পাটোয়ারী লোক। সবদিকে তীক্ষ্ণ দৃষ্টি। বিঘে দশেক জমি। ধানকল। রেশনের ডিলার। পয়সার পেছনে ছোটেন না, পয়সা ওনার পেছনে ছোটে। আর বদ্ধ কৃপন। ছেলেপুলে নেই। ভগবান সবকিছু যাকে দেন, কিছু একটা খামতি রাখেন যার জন্য মনে একটা দুঃখ নিশ্চিন্তে বাসা বাঁধে। সেই দুর্বলতাকে গোপন রাখার জন্য একটা অভিনয় থাকে প্রকাশ্যে। বাচ্চা কাচ্চা হয়নি বাবা বেঁচে গেছি। নাহলে এই সব ধিঙ্গিপনা হয়ে ঘুরে বেড়ানো বাপ হয়ে সহ্য হতো না। কি বাঁচান বেঁচেছি।
   গ্রামের মেয়েগুলো যতই ধিঙ্গিপনা করুক না কেন মনে মনে গোপনে ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করে একটা অন্তত আমার জন্য যদি মেয়ে দিতে। তা দিলে না। তুমি এত নিষ্ঠুর। 
                         (২)
মন্দিরা সবাইকে নিয়ে একটা কন্যাশ্রী সংস্থার খুলে কাজ করার কথা বলে।। প্রায়ই মেয়ে পাচার, আঠারো বছর বয়স হয়নি বিয়ের খবরে খুব খারাপ লাগে। ইমলি, বনানী, কেতকী তাকে প্রস্তাবে সায় দেয়। মন্দিরা বলে - "কিন্তু কেউ যেন না জানতে পারে এই সংগঠনের কথা। আরো দশ গাঁ নিয়ে, ক্রমশ ছড়িয়ে দিতে হবে গোপনে। প্রতি গাঁ থেকে একজন করে মেম্বার তুলে আনতে হবে। পয়সার অভাব নেই। আমাদের অ্যাকাউন্টে তো পঁচিশ হাজার করে আছে।"
ইমলি বলে- "ঠিক। ঐ নিবারণ দাদুকে ধরতে হবে। ওর পশুপ্রেম খুব। এবার নারীপ্রেমের দিকে নিয়ে আসতে হবে। এজন্য একটা মোটা অঙ্কের চাঁদা আদায় করতে হবে।"
কেতকী বলে- " সে কী করে সম্ভব। যা কৃপণের বেহদ্দ!"
মন্দিরা সঙ্গে সঙ্গে লাফিয়ে উঠে বলে - "বাঃ! বেশ বুদ্ধি বাৎলালি তো। কিভাবে আদায় করবো সে আমার উপর ছেড়ে দে।"
সুরভী বলে - " বলনা,বলনা। আমার বেশ উত্তেজনা হচ্ছে। নিবারণ দাদুর কাছ থেকে টাকা ঝাড়বি?" 
মন্দিরা মুচকি হেসে বলে- "সে যথা সময়ে মিশন শুরু হবে। ক্রম প্রকাশ্য। আগে তোরা এই সংগঠনের সভাপতি কে হবি বল?"
কেতকী বলল- " মন্দিরা আবার কে?"
সকলের সহমতে মন্দিরা সভাপতি। কেতকী সম্পাদক। সুরভী কোষাধ্যক্ষ। ইমলি সহ-সভাপতি। বনানী প্রচার সচিব। আর নিবারণ দাদু ডোনার মেম্বার। 
ইমলি বলল- " দাঁড়া,দাঁড়া। দাদু এই কথা শুনলে আমাদের গ্রাম ছাড়া করবে।"
হা হা করে হাসতে হাসতে মন্দিরা বলল- "ওটাই তো আসল মজা। দাদুকে পথে আনার দায়িত্ব আমার। ও নিয়ে তোদের ভাবতে হবে না। বনানী তুই এর গোপনে প্রচারটা কীভাবে হবে ভাব। আর আয় আগে নামকরণটা ঠিক করে ফেলি। আমার প্রস্তাব 'কন্যাশ্রী ও নিবারণ'। কেন দাদুকে এই দিয়ে পকেট করতে হবে।"
সকলে হাত তুলে সমর্থন করে।
                  (৩)
দেখতে দেখতে রেজাল্ট বেরিয়ে গেল। সকলে ভালোভাবে পাশ করল। আট কিলোমিটার দূরে 'ভগিনী নিবেদিতা' নামক কলেজে যে যার পছন্দমতো বিষয় নিয়ে ভর্তি হয়ে গেল সবাই।
  কলেজ ছাত্র ইউনিয়নের প্রগতিশীল ফোরামের সদস্য হয়েও গেল। বিরোধী ছাত্র ইউনিয়নের খুব একটা তলাতল নেই। তবে ইউনিয়নে মাথা গলানো তাদের নামকেওয়াস্তে। রাজনীতি কারো পছন্দ নয়। দলে নাম লেখানোএকটা নিয়ম তাই নাম লিখিয়েছে। কখন কে কাজে লাগে, তাই।
গোপনে তাদের মিশন বেশ জমে উঠেছে। দশ গাঁ থেকে একজন করে সক্রিয় মেম্বার পেয়ে গেছে। এ জন্য টইটই করে ঘুরে বেড়াতে হয়। এবার নিবারণ চক্রবর্তীকে পলেস্তারা দিয়ে রাজী করাতে হবে।
  মন্দিরা নিবারণ বাবুর কুকুর প্রেমের দুর্বলতা একেবারে ছক কষে উস্কে দেয়। দাদুর সঙ্গে খুব গা ঘেঁষাঘেঁষি করে উঠবোস শুরু করে। আর ইনিয়ে বিনিয়ে গল্প করে। ঠাকুমা মৃণালিনীর কাছে তাদের যত আবদার। এটা ওটা খেতে চায়। মৃণালিনী দেবীতো খুব খুশি। বিশেষ করে মন্দিরার প্রতি। বেশ গুছিয়ে কথা বলে। 
আর দাদুকে বশ করতে কুকুর প্রেমের গল্প করে। মন্দিরা বলে- "ও দাদু তুমি তো শুধু পথ কুকুরদের দেখলে। বড় বড় বাড়িতে কত ধরণের কুকুর শখ করে পোষা হয় সে খবর রাখো। শ্যামবাজারে একটা আস্ত পশুপাখির হাট হয়। কত রকমের কুকুর বেচাকেনা হয়, তুমি জানো? চলো তোমাকে একদিন নিয়ে যাবো। যাবে?"
"চল যাবো। একটা ভালো জাতের কিনে আনবো। তুই পছন্দ করে দিবি। গাড়ি খরচ আমার। বাজারের কথা আমিও শুনেছি।"
"তা না হয় হলো। কিন্তু তোমার পথের কুকুর গুলো যে না খেতে পেয়ে মারা যাচ্ছে সে খবর রাখো। শুধু কে পিটালো তাই শুনে হম্বিতম্বি করো।"
"শালা সুয়োরের বাচ্চা সব। কুকুর না পেটালে ভাত হজম হয়না। তা আমাকে কী করতে হবে বলতো?"
"কুকুরের সেবা একপ্রকার সমাজ সেবা। আরো অনেক সেবা আছে। তোমাকে সকলে কৃপন বলে। কিন্তু আমরা তো জানি তোমার কাছে গরীব মানুষ মেয়ের বিয়ের জন্য হাত পাতলে সাহায্য করো।"
"এমন অকৃতজ্ঞ দ্যাখ সাহায্য নেবে, আবার বদনাম করবে। তার চেয়ে ঐ অবলা পশুর সেবা করা ভালো। কী করলে হবে বল?"
"তাই তুমি তোমার নাম দিয়ে একটা সংস্থা খোলো। কেউ জানবে না। জানলে তখন তোমার কাছে পিলপিল করে হাজির হবে। আমরা তোমার মেয়ে হয়ে কাজ করবো। আর তোমার নাম হবে। তোমাকে কেউ যাতে না ঠকাতে পারে আমরা তোমার শক্তি হয়ে কাজ করবো।"
"করবি। সংস্থার নাম কী দিবি?"
"নাম হবে 'কন্যাশ্রী ও নিবারণ'। আমরা তোমার মেয়ে আর তুমি অসহায় পশু ও মানুষের নিবারণ।" 
কেতকী, ইমলি, বনানী, সুরভী মন্দিরার দাদুকে এভাবে পকিয় পাকিয়ে রাজি করানো দেখে তো তাজ্জব।
গ্রামে ইতিমধ্যে কুসংস্কার বিরোধী প্রচারের জন্য সভা হবে। মন্দিরারা ব্লক অফিসে যোগাযোগ করে সভা আয়োজন করেছে। সরকার থেকে প্রতিনিধি এসেছে। তাদের ব্যানারে সভায় সভাপতিত্ব করবেন নিবারণ বাবু। সভা দেখেছে। সভাপতি একজন থাকে হেড অফিসে মিটিংয়ে দেখছেন নিবারণ বাবু। প্রায় সভাপতির ভাষন শোনেন। তাবলে আজ সেই সভাপতি। বক্তব্য না যদি রাখতে পারেন কেলেঙ্কারি হবে। শেষে মন্দিরা সাহস যোগায়। বক্তব্য লিখে দেয়। তাই দেখে দেখে বলেন নিবারণ বাবু। আর তুমুল হাততালি। নিবারণ বাবু যা জীবনে ভাবেননি। 
সরকারি প্রতিনিধি গ্রামবাসীকে সচেতন করতে কুসংস্কারের বিরুদ্ধে লড়তে বললেন। মন্ত্র, ঝাড়ফুঁক,তাগা তাবিজ,সাপে কাটলে গুণিনের দ্বারস্থ না হয়ে হাসপাতালে নিয়ে যেতে বললেন। ভূত প্রেতে বিশ্বাস ছাড়তে বললেন। আর মন্দিরা বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে খুব ঝাঁঝালো বক্তৃতা দিল। 
নিবারণ বাবুর নিজের উপর খুব ধিক্কার জাগলো এই মেয়েগুলোকে এতো নিন্দামন্দ করতেন। এরাতো গ্রামের রীতিমত সম্পদ।
মন্দিরা ও অন্যান্যরা বুঝে গেল নিবারণ দাদু তাদের পকেটে। এবার মিশন সাকসেসের দিকে নজর দেওয়ার পালা। টাকার অভাব হবে না গৌরী সেন আছেন।
                 (৪)
কেতুপুর থেকে গোপনে চিঠি এলো 'কন্যাশ্রী ও নিবারণ' সংস্থায়। বলাই আছে লিখিত প্রমাণ পাঠাতে হবে। ফোনে আগাম বার্তায় প্রস্তুতি। আর চিঠি এলেই পদক্ষেপ শুরু। সঙ্গে সঙ্গে থানায় চিঠি ফরোয়ার্ড হবে। থানার কিংশুক বাস্কে সবে বড়বাবু হয়ে এসেছেন। মন্দিরা তাকেও কথায় মুগ্ধ করে ফেলেছে। বড়বাবু এহেন কাজকে  প্রশংসা কিভাবে করবেন ভেবে পাননা। তার প্রমোশন এজন্য আছে। কাজটা লুফে নেন।
পল্লবী নাম মেয়ের। বয়স চোদ্দো। ছেলে বিয়ে করে নিয়ে চলে যাবে উত্তর প্রদেশে। কোথায় বাপের অত জেনে কাজ নেই। কন্যা দায় থেকে মুক্ত হবেন অবিনাশ কিস্কু তাই যথেষ্ট। দানসামগ্রী সামান্য। ছেলে রতন দেখতে সত্যি রত্নের মতো। এমন ছেলে হাত ছাড়া করতে চায়না অবিনাশ। যেন হাতে চাঁদ পেয়ে যাবে কাজটা গোপনে সারতে হবে। বৌ ছাড়া প্রতিবেশীদের মধ্যে একটুও কানাঘুষো নেই। ছেলেও আসবে চুপিচুপি। একটু রিস্ক আছে। মেয়ে রাজী নয়। অনেক কষ্টে রাজী করিয়েছে। পড়তে চায়। কন্যাশ্রীর টাকা সংসার মরুভূমির তপ্ত বালিতে বারি যেন। টানাটুনির মধ্যে ঐ সামান্য দানসামগ্রীটুকু জোগাড় যন্ত্র হয়েছে মাত্র।
  বিবাহযোগ্যা বয়স নয়। তাই টেনশনে অবিনাশ। কোথা থেকে কি হয়ে যাওয়ার ভয়ে ভয়ে থাকে।
তাই হলো। 
বর এসে গেছে। সেই সঙ্গে একটা খোলা খামে চিঠি ধরিয়ে দিল পাড়ার ছোট্ট মেয়ে প্রমিলা। চিঠি খুলে পড়ল। তাতে লেখা "মেয়ের বিয়ে দিলে জেল অনিবার্য।"
চিঠির সঙ্গে মন্দিরার আগমন। পল্লবীর বাবার তাই দেখে খুব তেন্ডাই মেন্ডাই। 
অবিনাশ বলতে লাগলো- "আমাদের পারিবারিক ব্যাপারে নাক গলাচ্ছ কেন? এ আমাদের বংশের রীতি এই বয়সে বিয়ে দেওয়া।"
বাইরে বড়বাবু এসেছেন। তবে কিছুই বলছেননা। শুধু অপেক্ষায়। মন্দিরা পুলিশের ভয় দেখাতেই অবিনাশ জুবুথুবু। শেষে জানতে পারল অবিনাশ, পল্লবীই সব জানিয়েছিল মন্দিরার সংস্থাকে। বিবাহ রোখা গেল। চুপিচুপি বর কেটে পড়ল অ্যারেস্ট হওয়ার ভয়ে।
                             (৫)
কন্যাশ্রী ও নিবারণ সংস্থা এখন প্রচারের আলোয়। অনেক কাজ করেছে। মন্দিরাকে অনেক বিপদের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করতে হয়েছে। পাচারকারী দলের পান্ডাদের স্বার্থের বিরুদ্ধে গিয়ে প্রাণ সংশয়ের পর্যন্ত মুখোমুখি হতে হয়েছে। কিংশুক বাস্কে বাজপাখির মতো নজরে রেখেছিল বলে মন্দিরাদের কাজ অনেক সহজ হয়েছে। নাফিসা,নাতাসা,আমিনাদের মতো নাবালিকা পাচার বন্ধ করতে পেরেছে। মন্দিরা মানে বন্ধখামে আগুনের ফুলকি। তলে তলে এলাকার পর এলাকার কুসংস্কার সমূলে উপড়ে ফেলেছে।
তারই জন্য কিংশুক বাস্কে প্রমোশন এস.পি হয়ে উত্তরবঙ্গে ট্রান্সফার হয়ে গেল। যাওয়ার সময় একটা বন্ধখামে একটা চিঠি লিখে মন্দিরার নামে পাঠিয়ে দিয়েছিল।
মন্দিরা সেই চিঠি তার আলমারিতে রেখেছিল গাদাগাদা শুভেচ্ছা বার্তার চিঠির সঙ্গে। গ্রেজুয়েট পাশ করেছে ভালভাবে। সার্টিফিকেট গুছিয়ে রাখতে গিয়ে আজ হঠাৎ ও.সি. কিংসুক বাস্ক বড় বড় অক্ষরগুলো নজরে পড়তে স্মৃতি ঝলকে উঠলো। সে বছর তিনেকের আগের তারিখটাও ম্যাটম্যাট করে তাকিয়ে আছে। কৌতূহল হল দেখতে। ভাবছে কি আর লিখবে। ভালো কাজের প্রশংসা ছাড়া আর কি?
বন্ধখাম খুলে দেখে একপাতা জুড়ে লেখা। নিঃশব্দে পড়ে গেল। প্রণয় নিবেদন করে লেখা। মুখ ভেসে উঠল। পোশাকে কি হ্যান্ডসাম! মুখে তেজ। দৃপ্ত ভঙ্গিমা। ছ'ফুট লম্বা ঐ করিতকর্মা যুবার মুখে উজ্জ্বল হাসিভরা মুখে শেষ লাইন-"ভালোবাসা ফিরিওনা, আমি সদাই মনে নিয়ে ফিরিব তোমায়।"
আকাশের মধ্যগগনে সূর্য তখন। কিংশুক হৃদয় দেয় মন্দিরার হৃদয়ে পূর্ণতার আশ্বাস।
            

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

শিরোনাম - সোশ্যালি আনসোশ্যাল✍️ ডা: অরুণিমা দাস

শিরোনাম - সোশ্যালি আনসোশ্যাল ✍️ ডা: অরুণিমা দাস বর্তমানে অতিরিক্ত কর্মব্যস্ততার কারণে একটু বেশি সময় কাজে দেওয়ার জন্য হয়তো একের প্রতি অন্য...