# বিষয় - কলিতে সত্যের তপস্যা।
#নাম - ' সত্যমেব জয়তে'
'সত্যমেব জয়তে' একটা রাষ্ট্রের মন্ত্র কেন হয়? ভোগবাদের বিষবৃক্ষ হতে উৎপাদিত বিষফলের হাত থেকে রক্ষা করতে। আদম-ইভকে শয়তান প্ররোচিত করেছিল বিষফল খেতে। পরিণামে তাদের স্বর্গচ্যূতি ঘটেছিল। আর এখানে শয়তানের ভূমিকায় ভোগবাদ।
কলিযুগ বস্তুবাদ ও ভাববাদে দুটি সমান্তরাল ধারা নিয়ে চলমান। সত্য সবের ভেতরে একটা কার্য ও কারণ। তা থেকেই এসেছে মানুষের পাপ ও পুণ্য। এই পাপের হাত থেকে রক্ষা পেতে মন্ত্র সদা সত্য কথা বলিবে। সত্যমেব জয়তে। আহ্ কি মিষ্টি মন্ত্র! এই সত্যের উপর ভর করে বিচারক হন ধর্মাবতার।
সত্যই সুন্দর। সুন্দরই সত্য। কলিযুগকে এই সত্য নিয়ে ভাবতে হচ্ছে বেশি করে কারণ মিথ্যা যে চারদিকে কিলবিল করছে। মানুষে মানুষে সংঘাত, সংঘর্ষ হচ্ছে প্রতিনিয়ত। আধ্যাত্মিক উন্নয়নের জন্য কি চেষ্টাই না চলছে। এখন সময়টা আরো সঙ্গীন কারণ আর মহামানব জন্ময় না।
এই সত্যের পথে ঈশ্বরের সন্ধান চলে। ঈশ্বরের কৃপা পেলে পাপ,তাপ, দুঃখ যন্ত্রণা থেকে মুক্তি মেলে। সত্যের পথে থাকলে,ঈশ্বর সঙ্গে থাকবেন। এই হল সত্যের বিশ্বাস।
ঈশ্বর লাভের পথ সত্যের পথ। যে যত সত্যের পথে থাকে সে তত সহজ ও সুন্দর হয়। কলি যুগে তাই হওয়া দূরুহ। অহরহ মিথ্যার যূপকাষ্ঠে তুমি বলিপ্রদত্ত। গোয়েবলসের কথায় মিথ্যা বলতে বলতে মিথ্যাটাই সত্যে পরিণত হয়। প্রকৃত সত্য দুর্লভ। তাই সত্য দুর্লভ বলেই ঈশ্বর লাভও দুর্লভ। তাই দুর্লভ সত্য আর ঈশ্বর সত্য একই। সহজ সত্য দিয়ে ঈশ্বর সত্য লাভ হয়। এই সত্য পথে ও সত্য কথা বলার চেয়ে মিথ্যার বেসাতি করা অনেক সহজ। স্বার্থ, ভোগবাদ সত্যের গলায় ফাঁস হয়ে বসে আছে। তাই তো সত্য লাভ অনেক সাধনার ফল।
কলমে ~ মৃদুল কুমার দাস।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন